Bangladesh Government is at War with its Children

The situation in Bangladesh is very troubling right now. International media outlets such as the Washington Post has already published an overview of the troubles there, but the situation has since deteriorated further. With reports of an Internet slowdown, a move that hampers livestreaming and evidencing of the brutal attacks, and the government’s warning to the media, that has made many local outlets back away from covering the events, Dhaka city has now turned to a war zone. Journalists and photographers had already been attacked yesterday, and many journalists were attacked again on Sunday, August 5. A co-editor of Muktiforum and two reporters were harassed yesterday, while many others still fear to be attacked today. Students say that many of their fellow protesters are still missing. read more

Read More

নতুন ভবিষ্যতের প্রথম দিন আজ? –সম্পাদকীয়

আজকের দিনটা গুরুত্বপূর্ণ।
নিরাপদ সড়কের জন্য ও ন্যায়বিচারের জন্য কিশোর শিক্ষার্থীদের বীরত্বব্যাঞ্জক বিদ্রোহ সরকারকে হতভম্ব করে দিতে পেরেছে সন্দেহ নাই।
কিন্তু সরকার সেই দিশেহারা দশা কাটিয়ে উঠছে।তারা ভেবেছিলো, বিদ্রোহীরা যেহেতু বাচ্চা, তাই নানা কারণে সেলিব্রেটেড ব্যক্তিদেরকে দিয়ে এদেরকে বশে আনতে পারবে।বাচ্চারা এদেরকে পাত্তা না দিয়ে প্রমাণ করেছে, তাঁরা শুধু সাহসীই নয়, রাষ্ট্রের কিশোর নাগরিক হিসেবে বুঝদারও বটে।
কিন্তু মিরপুরে ইতোমধ্যেই সহিংসতার ঘটনা ঘটে গেছে। ডেইলি স্টারের এক প্রতিবেদনের ভাষ্যমতে এটি ঘটিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ, আর কিছু অচিহ্নিত ব্যক্তি। এইসব দেখে আমরা আশঙ্কা করছি, কো-অপশনের চেষ্টায় কাজ হচ্ছে না যেহেতু, তাই সরকার কোয়ের্শনের লাইন নিতে যাচ্ছে।
এখনো এই আন্দোলনের কোনো রাজনৈতিক প্রকল্প নাই এখনো পর্যন্ত। কিশোরেরা এখনো কোনো রাজনৈতিক প্রকল্প হাজির করে নাই।
কিন্তু তারা স্রেফ স্বৈরতন্ত্রী রাজনীতিকে প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করেছে, জোর যার মুল্লুক তার এই মাৎসন্যায়ের নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। এটা অসাধারণ ব্যাপার। ট্রাফিক কন্ট্রোল করা, ড্রাইভিং লাইসেন্স চেক করা, এবং এম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের গাড়ির জন্য ইমার্জেন্সি লেন তৈরি করে তারা অরাজকতার জায়গায় সামাজিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার আকাঙ্ক্ষাই প্রকাশ করেছে। তারা মন্ত্রীমিনিস্টার আর পুলিশের গাড়িকেও ছাড় দেয় নি, এর মানে, তারা শাসকদেরকে গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতার আওতায় আনতে চায়। পুলিশকে গালি দেয়াটাকে আমি আইনের শাসনের বিরোধিতা হিসেবে দেখছি না, নৈরাজ্য-বিপ্লব হিসেবেও দেখছি না, দেখছি স্রেফ পুলিশ জনগণের পক্ষে কাজ না করে প্রচণ্ড গণবিরোধী বাহিনী হয়ে ওঠায় কিশোরদের ক্ষুব্ধ হওয়ার স্বতঃস্ফূর্ত বহিঃপ্রকাশ হিসেবে।
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার আগে আইনগুলোকে নিপীড়ণমূলক থেকে জনবান্ধবে রূপান্তরিত করে নেয়া দরকার, নইলে নাজি জার্মানিতেও এক ধরণের আইনের শাসন ছিল, ফ্যাসিস্ট আইনের শাসন দিয়ে কী করবো?
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ফ্রান্সিস ফুকুয়ামার মতে, উন্নয়নের রাজনৈতিক দিক তিনটিঃ রাষ্ট্রগঠন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, শাসকদেরকে গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতার আওতায় আনা। বাংলাদেশে স্রেফ প্রথমটি আছে, দ্বিতীয়টি আছে অত্যন্ত বিকৃতভাবে, আর তৃতীয়টি কোনোকালেই ছিল না। এটা স্বৈরতান্ত্রিক উন্নয়নের লক্ষণ, গণতান্ত্রিক উন্নয়নের নয়।
কিশোররা শাসকদেরকে গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতার আওতায় আনতে চাইছে, অন্তত যাতায়াতের ক্ষেত্রে, এটাকে খাটো করে দেখার কোনো অবকাশ নেই। সীমাবদ্ধতা আছে সন্দেহাতীতভাবে। যেই রাষ্ট্রের সরকারি দলটিই গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হয় নি, জবাবদিহিতার তোয়াক্কা করে না, তাঁরা শুধু যাতায়াতের ক্ষেত্রে কেনো জবাবদিহিতার ধার ধারবে এই প্রশ্ন বিদ্রোহী কিশোরদের কাছে করাই যায়।
কিন্তু এটা সীমাবদ্ধতা, এটা ওদের দোষ নয়। সব কিশোররা করবে, আপনি আমি ভেড়েন্ডা ভাজবো? এটা অন্যায় আবদার!
সত্যি বলতে নতুন কোনো রাজনৈতিক প্রকল্প হাজির করার দায়িত্বও একটা দেশের ইউনিফর্ম পরে কাঁধে ব্যাকপ্যাক ঝুলিয়ে স্কুল কলেজে যাওয়া কিশোরদের না। ওরা স্রেফ স্বৈরতন্ত্রী রাজনীতিকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক প্রকল্প হাজির করা আমাদের কাজ, সেটার প্রক্রিয়াপদ্ধতি কী হবে, তর্ক হতে পারে শুধুমাত্র তা নিয়ে।
তবে এসব পরে হবে, আপাতত হাতের কাজ যেটা আছে, সেটা সেরে নেয়া দরকার। সরকার কিশোরদেরকে কোয়ের্স করার পথে এগোতে পারে। যদি তাই হয়, সেটা রুখে দেয়া নাগরিক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব, মানুষ হিসেবেও আমাদের উচিত কিশোরদেরকে রক্ষা করা। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটের কিছু নির্দিষ্ট স্থানকে কেন্দ্র করে নাগরিক প্রতিবাদের একটি সংস্কৃতি গত কয়েক বছরে গড়ে উঠেছে। আমি এটাকে সাধারণভাবে অপ্রয়োজনীয় মনে করি না, কিন্তু লাগামহীন সহিংসতার মুখে, স্রেফ মিছিল-মানববন্ধন-সমাবেশ কোনো কাজে আসে না। তাই সরকার যদি সহিংসভাবে আন্দোলন দমন করতে যায় সেটাকে পাড়ায় পাড়ায় মহল্লায় মহল্লায় গণপ্রতিরোধ গড়ে ঠেকাতে হবে কিশোরদের নিরাপদ করবার স্বার্থে। অন্তত সেইসব জায়গায়, যেখানকার কিশোররা সবচে বেশি পরিমাণে রাস্তায় নেমেছে। যাতে তারা নিজেদেরকে একা মনে না করে। কারো অস্ত্র হাতে যুদ্ধে নামার দরকার নাই। স্রেফ কিশোরদের পাশে আপনারা সাহস নিয়ে দাঁড়ান, মনে রাখবেন পাবলিক না ঠেকলে রাস্তায় নামে না সহজে, কিন্তু একবার নেমে গেলে এমনকি রাষ্ট্রের বাহিনীগুলোও অল্প কিছু স্বৈরাচারীকে বাঁচাতে লক্ষ লক্ষ মানুষের বিরুদ্ধে বেশিক্ষণ অবস্থান না নিয়ে জনগণের পক্ষে চলে আসে। শেষ পর্যন্ত ইউনিফর্মের নিচে পুলিশ-আর্মির লোকেরাও মানুষ, স্বৈরতন্ত্র ও উগ্র জাতীয়তাবাদের মতো নানা ব্যাধি এদের বৃহত্তর অংশটাকেই তাদের মনুষ্যত্ব ভুলিয়ে দিয়েছে, কিন্তু ইতিহাসের বাঁকবদলের মুহূর্তগুলোতে মনুষ্যত্ব ফিরে পাওয়ার অনেক অবিশ্বাস্য গল্পই তৈরি হয়। আপনি কিশোরদের ইনোসেন্স দেখে মুগ্ধ হয়েছেন তো, এবার ওদেরকে ভায়োলেন্স থেকে বাঁচানোর দিন এসেছে, বাপ মা ভাই বোন ও সর্বোপরি মানুষ হিসেবেই সেই দায়িত্ব আমাদেরকে নিতেই হবে।
ভায়োলেন্সের একটা ভয় আছে আজকের দিনটিতে, ঠিক-তবে একই সাথে আছে পরিবর্তনের স্বপ্ন ও সম্ভাবনা। অনেকেই হয়তো খেয়াল করেননি, তবে এরই মাঝে কালকে ছাত্র ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা। অর্থাৎ কালকে একই সাথে ধর্মঘটে দাঁড়াবে স্কুল থেকে ইউনিভার্সিটি পর্যন্ত সকল পর্যায়ের ছাত্র। কিশোর বিদ্রোহীদের ৯ দফা আর কোটা আন্দোলনের ৩ দফা কিন্তু হঠাৎ আক্রমণের মুখে হুট করে দাবানল হয়ে দাড়াতে পারে। হঠাৎ আবেগে বদলে যেতে পারে অনেক কিছু। শেষ যেবারে এমন ১১ দফা আর ৬ দফা এক হয়েছিলো, তখনও আগুনে জ্বলেপুড়ে গিয়েছিলো অনেক কিছু।
তবে ততখানি হয়তো নিতান্ত আশাব্যঞ্জকতা। হয়তো কেবল মার খাবে আমাদের ছেলেমেয়েরা, হয়তো ভয়ে রাস্তায় নামবেনা অনেকে। তবে আমরা চেষ্টা করে যাবে। মুক্তিফোরামের পক্ষ থেকে প্রচার করবো সত্য এবং সঙ্গ দেবো আমাদের নতুন বিপ্লবীদের। তাদের হাতেই রয়েছে দেশের ভবিষ্যত। যদি এই রাষ্ট্রের জঞ্জালগুলোকে তারা আজকে একদিনেই পুড়িয়ে সাফ নাও করতে পারে, তারা তা করেই ছাড়বে একদিন। আর সেই আশা নিয়েই সাথে থাকবো আমরা। read more

Read More

একলা বের হইয়ো না, স্কুল ড্রেস পইরা নাইমো– মুক্তিফোরাম সম্পাদকীয়

স্কুল কলেজ বন্ধ করার দুইটা উদ্দেশ্য আছে। একটা হচ্ছে তোমাদেরকে জড়ো হইতে না দেয়া। আরেকটা হচ্ছে, তোমাদেরকে ইউনিফর্ম ছাড়া রাস্তায় নামানো, যাতে তোমাদেরকে পিটায়া রক্তাক্ত কইরা জামাত-শিবির বইলা চালায়া দেয়া যায়। read more

Read More

বিশহাজারে মুক্তিফোরাম: বর্তমানের আলাপ ও ভবিষ্যতের প্রস্তাব –সম্পাদকীয়

মুক্তিফোরামের বেশ খানিকটা বয়েস হয়ে গেলো। বিশ হাজার মানুষ এখন ফেসবুকে আমাদের লেখা পড়েন, আমাদের গ্রুপে রয়েছেন আরো ছয় হাজারেক সদস্য। তবে এই দীর্ঘ সময়টা ধরে মুক্তিফোরামের কেন্দ্রীয় প্রস্তাব নিয়ে বিশেষ ভাবে উচ্চবাচ্য করা হয়নাই। তার একটা অন্যতম কারণ হলো এর ওপরে কারো নিজের মতাদর্শ বা স্বপ্ন চাপায়ে দেয়া থেকে বিরত থাকা। আমাদের স্বাধীনতা পরবর্তী ইতিহাসের একটা বড়ো অংশ জুড়ে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং জাতীয় মুক্তির অর্থকে নিজের সুবিধামতন গড়ে নেয়ার ইতিহাস। রয়েছে জাতিসত্ত্বা সম্পর্কে বাংলাদেশের নাগরিকদের বৈচিত্র্যময় বোঝাপড়াকে একমুখী রাজনৈতিক জাতীয়তাবাদে রূপায়িত করবার একটা অপচেষ্টা।মুক্তিফোরামের শুরুর থেকে আমাদের লক্ষ্য ছিলো এর থেকে ভিন্ন কিছু করবার। আমরা চেয়েছিলাম যে আমরা পুরানো উপায়ে না এগিয়ে বরঞ্চ একটু খোলামেলাভাবে আগাবো সকলকে কথা বলবার সুযোগ দিয়ে। read more

Read More