কোন ভাষায় প্রতিবাদ করলে আপনারা দমন করবেন না, ঢাবি প্রশাসন?

আমরা ক্যাম্পাসে পড়াশোনার পরিবেশ ফিরে পেতে চাই, ক্লাসে ফিরে যেতে চাই শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সমাবেশের প্রতি প্রশাসনের সম্মানজনক দৃষ্টিপাত দেখে তবেই! বিশ্ববিদ্যালয়ে সহিংসতা শিখতেও আসি নাই,করতেও আসি নাই,চেয়েছি ন্যায়ের পথে অবিচল থেকে অধিকার প্রতিষ্ঠায় কর্তব্যবোধের সঞ্চার ঘটাতে যেই কর্তব্যবোধ থেকেই আজ ক্লাস পরীক্ষা বর্জনে বাধ্য হয়েছে শিক্ষার্থীরা!

Read More

কোটা সংকটের মূলে কর্মসংস্থানহীন উন্নয়ন

জনপ্রশাসনে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে দেশে কোটা ব্যবস্থা চালু আছে। এই ব্যবস্থা সম্পর্কে তিন রকম মতামত রয়েছে। একটি হলো, কোটা ব্যবস্থা বর্তমানে যেভাবে আছে সেভাবেই থাকুক। এর ঠিক উল্টোমুখী দ্বিতীয় মতটি হলো, কোটা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ তুলে দেওয়া হোক। তৃতীয়টি হলো, কোটা চালু রাখতে হবে, তবে তা উপযুক্ত ও যুক্তিগ্রাহ্যভাবে সংস্কার করা হোক। কোটা ইস্যুতে বর্তমানে যে তুমুল আন্দোলন চলছে তার দাবি হলো, কোটা ব্যবস্থা রাখতে হবে, তবে তাকে সংস্কার করতে হবে। ‘কোটা বাতিলের’ দাবি তারা কখনই করেনি। তারা আগাগোড়াই ‘কোটা সংস্কারের’ দাবি করেছে। অথচ তারা ‘কোটা’ বিশেষত ‘মুক্তিযোদ্ধার জন্য কোটা’ বাতিল করতে চায় বলে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আরোপ করে মিথ্যাচার করা হয়েছে। আন্দোলনকে লাঠির জোরে দমন করার সুবিধার্থেই এই মিথ্যাচারের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। গুণ্ডা বাহিনী ও পুলিশি অ্যাকশন দিয়ে শহীদ মিনারসহ সারা দেশে হামলা চালানো হয়েছে। কোটা ব্যবস্থা কেন কতটুকু প্রয়োজন সে বিষয়টি নিয়ে যুক্তিগ্রাহ্য আলোচনা করা তাই খুবই প্রয়োজন। read more

Read More

শিক্ষাঙ্গনের রাজনীতিকরণ: রাবি ভিসির ঐতিহাসিক পদলেহনের কারণ

সম্পাদকের নোট: কোটা সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত সাধারণ শিক্ষার্থীদের “বাম ঘরানার শিবির (বাশি)” বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আবদুস সোবহান । যে মানুষটি ২০০৭ সালে জেলে গিয়েছিলেন সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ।পরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের তীব্র প্রতিবাদ-আন্দোলনের ফলেই অন্যান্য শিক্ষকদের সাথে কারামুক্ত হয়েছিলেন আবদুস সোবহানও । ২০০৯ সালে আওয়ামী লিগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর সোবহান হয়েছিলেন ভিসি । তার সেই প্রথম মেয়াদে বিশ্ববিদ্যালয়ে অজস্র অনিয়ম-দুর্নীতির খবর এসেছিল সংবাদমাধ্যমে ।২০১৭ সালে আবার দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসেন আবদুস সোবহান । কিন্তু যে প্রক্রিয়ায় তাঁর এই নিয়োগটা হয়েছিল, তার অনেক কিছুই প্রশ্নবিদ্ধ অবস্থায় আছে । এই লেখায় লেখক সেগুলোই তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন । লেখাটি এক বছর পুরোনো হলেও, এখনও তার প্রাসঙ্গিকতা হারায়নি । অন্যায্যভাবে ক্ষমতায় অধিগ্রহণ করেছেন এবং টিকে আছেন- বলেই হয়তো এমন নির্লজ্জভাবে রাষ্ট্রক্ষমতার পদলেহন করে যাচ্ছেন এই সোবহান ভিসি । লেখাটি এখনকার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেক্ষিতে খুবই প্রাসঙ্গিক ও পাঠ্য করার মতো ।  লেখক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী, সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন, বর্তমানে সাংবাদিকতা করেন । read more

Read More

বাজেটে প্রতারণার চিত্র: নির্বাচনী স্বার্থে জনস্বার্থকে অবহেলা

১। বাজেটে দেশের মৌলিক আর্থিক ও অবকাঠামোগত সংকট গুলোকে এড্রেস করা হয়নি

বাজেট বাস্তবায়নের হার ও সক্ষমতা কমে যাওয়া, উচ্চ প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও কর্মসংস্থান খুব বেশি মাত্রায় পিছিয়ে পড়া, ব্যক্তিবিনিয়োগ না হওয়া, রেমিট্যান্সপ্রবাহ কমে যাওয়া, প্রকল্প বাস্তবায়নে অনেক বেশি অর্থ ব্যয় এবং বারং বার ব্যয় বৃদ্ধি, শেয়ার বাজারে আস্থা হীনতা, মেগা প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন বিলম্ব, রাজধানীর যানজট সমস্যার টেকসই সমাধান, ঢাকা চট্রগ্রামের বছরের পর বছর ধরে লজ্জাকর জলাবদ্ধতা, চট্রগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, ঢাকা চট্রগ্রাম সরাসরি কার্গো রেল তৈরি, বিদ্যুৎ এর বিতরণ ও সঞ্চালন ব্যবস্থাপনার উন্নতি, নবায়নযোগ্য জ্বলানির বিকাশ, গ্যাস সংকটের টেকসই সমাধানে নিজস্ব এক্সপ্লোরেশন, বেশুমার খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধার, রোহিঙ্গা সংকট নিরসনের উদ্যোগের মতো বিতর্কিত বিষয়গুলো বাজেট পরিকল্পনায় সুকৌশলে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।

২। বাজেটের সাইজই একটা সাক্ষাৎ প্রতরাণা

২০১৭-১৮ অর্থবছরে ২৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরে তৈরি করা বাজেটের আকার ছিল ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকা। বাস্তবায়নযোগ্য না হওয়ায় এরই মধ্যে তা সংশোধন করে ৩ লাখ ৭১ হাজার ৪৯৫ কোটি টাকায় নামিয়ে আনা হয়েছে। তথাপি গত অর্থবছরের অভিজ্ঞতা ভুলে গিয়ে আবারো ৪ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকার বাজেট দেয়া হল, চলতি অর্থবছরের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা থেকে ২৫ দশমিক ৩০ শতাংশ বাড়িয়ে। জিডিপি প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন ৭,৮ শতাংশ, মূল্যস্ফীতি ৫,৬ শতাংশের টার্গেটে। কিন্তু বাস্তবতা হলো এই বাজেটে প্রায় ২০ শতাংশ অবাস্তবায়িত থেকে যাচ্ছে। গত বছর ২১ শতাংশ বাস্তবায়িত হয়নি। গত বাজেটের অবাস্তবায়নের বিষয়টি সম্পুর্ণ এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। অবাস্তবায়নের ধারাবাহিকতা যদি থাকে, তাহলে প্রস্তাবিত বাজেট আসলে ৩ লাখ ৭১ হাজার কোটি টাকার। বড় আকারের বাজেট করে তাই কতটা লাভ হচ্ছে, তা নিয়ে মৌলিক প্রশ্ন থাকছে।

ঘাটতি বাজেট: বিশাল রাজস্ব আহরণ লক্ষ্যমাত্রার পরও বাজেটে বড় অংকের ঘাটতি থাকছে। আগামী অর্থবছর ঘাটতি বাজেটের পরিমাণ ধরা হয়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা; চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে যা ১ লাখ ১২ হাজার ৪১ কোটি টাকা।

প্রতিবারই এক চতুর্থাংশ অবাস্তবায়তি রেখে বড় বাজেট করার উদ্দেশ্য শুধুই লোকরঞ্জন। চলতি অর্থবছরও অর্থমন্ত্রী ৪ লাখ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেছিলেন। কিন্তু নয় মাসে ৫০ শতাংশও ব্যয় করতে পারেননি। বছর শেষে বেশুমার দুর্নীতির প্রক্রিয়ায় টাকা বরাদ্দ দিয়ে ৭৫% বাস্তবায়ন দেখান হতে পারে। আর কৃষি ভিত্তিক দেশে ফসলের মৌসুমের সাথে বাজেট বর্ষ সমন্বিত না হওয়ায় অর্থ বছরের শেষ দিকে এসে (যখন প্রধান প্রধান ফলন মৌসুমও শেষ হয়ে যায়) তড়িঘড়ি করে যেসব বাজেট বরাদ্দ হয় তা বহু খাতে কাজে আসে না বরং লুটে ও লুটের যোগ তৈরিতে ব্যয় হয়। রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলে পরবর্তী সময়ে ঘাটতি আরো বাড়বে। এ ঘাটতি পূরণে বৈদেশিক ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫০ হাজার ১৭৪ কোটি টাকা। আর অভ্যন্তরীণ ঋণ ৭১ হাজার ৮০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যাংক থেকে ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ৪২ হাজার ২৯ কোটি টাকা ধরা হয়েছে। চলতি অর্থবছর ৫৫ হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক ঋণের লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৮ হাজার কোটি টাকা পেয়েছে সরকার।

অর্থনীতিবিদ ড হোসেন জিল্লুর রহমান, নির্বাহী চেয়ারম্যান পিপিআরসি বলছেন, এই অবাস্তবায়নের জন্য তিন ধরনের দক্ষতার সংকট রয়ে গেছে।প্রথমটি, প্রকল্প প্রণয়নের দক্ষতার সংকট। অর্থাৎ অর্থায়নের কথা বিবেচনা না করেই প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। আর সে কারণে সেগুলো অবাস্তবায়িত থেকে যাচ্ছে।দ্বিতীয়টি, ব্যয়ের দক্ষতার সংকট। একটি কাজ ১০০ টাকায় করা যাবে। কিন্তু কাজটির পেছনে ব্যয় করা হচ্ছে ১০০০ টাকা। মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমরা এ সমস্যাটি বেশি করে দেখছি। পদ্মা সেতুর ক্ষেত্রে সর্বশেষ ১৪০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে। দেশীয় অর্থায়নে প্রকল্প করার বিষয়টি বারবার উল্লেখ করা হচ্ছে। কিন্তু এ অর্থায়ন যদি অদক্ষতার সমার্থক হয়ে যায়, তখন এর কী মানে হতে পারে?তৃতীয়টি, বাস্তবায়নের দক্ষতা। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার কমছে। এর কারণ হলো বাস্তবায়ন হচ্ছে না। এ জন্য যে দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি দরকার, তা নেই। হয়তো অর্থমন্ত্রীর সদিচ্ছা আছে। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ব্যক্তিরও শুভ ইচ্ছা আছে। কিন্তু যে আমলাতন্ত্রকে দিয়ে এ কাজ করানো হবে, সেখানেই হয়তো দীর্ঘসূত্রতার সৃষ্টি হবে। বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দক্ষতার সংকটের জন্য আবার আমাদের রাজনৈতিক শাসনও একটি কারণ। অনেক ক্ষেত্রে যোগ্যতার মূল্যায়ন নেই। রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ হচ্ছে। দক্ষ লোক সঠিক জায়গায় নেই। read more

Read More

হাসপাতাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত এতো অসহিষ্ণুতার দায় কার?

একটা সময় ছিল যখন মহল্লায় একজন শিক্ষক বা হেডমাস্টার এর বাসা মানে সেই মহল্লার শান শওকত আলাদা! মহল্লায় ৫ জন ধনকুবের থাকলেও একজন মাস্টার রাস্তা দিয়ে হেঁটে গেলে পাড়ার মাস্তানরাও সিগারেট লুকাইতো! read more

Read More