এশিয়ান গেমসে অশ্বডিম্ব সার্বিক অন্তঃসারশূন্যতারই উপজাত

এশিয়ান গেইমসে বাংলাদেশ লাড্ডুগুড্ডু হইছে, কারন এইটাই হওয়ার কথা ছিলো। যেইসব দেশ মিসকিন হয়, তারা সব কিছুতেই মিসকিন হবে। তাদের বড় কোন লেখক, চিন্তক, উদ্যোক্তা, খেলোয়াড় থাকেনা। থাকেনা কারন তারা মিসকিন। অলিমপিকে চায়নার বর্তমান প্রাধান্য দেখলেই আপনি এইটা বুঝতে পারবেন। যেদিন থেকে চীনা দৈত্য পয়সাওলা হয়ে উঠলো সেইদিন থেকেই তারা খেলাধুলাতে ও ভাল করা শুরু করলো। আমরা এখন আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা’কে সবাই চিনি। আগামী দশ পনের বছরের মধ্যেই খুব নামকরা চীনা ইন্টেলেকচুয়াল, দার্শনিকের নাম ও আমরা শুনতে শুরু করবো। একটা দেশ গ্লোবাল হেজেমন হয়ে উঠে যখন, তাঁর শরীরের সবগুলো অঙ্গই তখন একসাথে স্ফীত হয়া শুরু করে। read more

Read More

দেশের সকল গনতান্ত্রিক শক্তির একটা ঐক্য প্রয়োজন

গত কয়েক দিনের গনফোরাম, নাগরিক ঐক্য, যুক্তফ্রন্ট , বিকল্পধারা , জেএসডির যে ঐক্য প্রক্রিয়া চলেছে, সেইটা নিয়ে বিভিন্ন টকশো নিউজ রিপোর্ট এবং আলোচনা গভীর ভাবে দেখলাম। read more

Read More

সুবোধের বোধ ও বাংলাদেশের প্রাক-রূপায়নের রাজনীতি

ধানমন্ডির আবাহনী মাঠ সংলগ্ন এলাকায় চোখে পড়েছিল এই ছবিটি। পলায়নরত সুবোধকে এভাবে ঢেকে দেওয়া হয়েছিল পোস্টার দিয়ে। সুবোধের এই গ্রাফিতিতে লেখা ছিল, ‘এখানে সাপ ভরা চাপ চাপ রুচি! কাপ ভরা পাপ পাপ চা! সুবোধ… তুই পালিয়ে যাহ!’
তো এই ‘চাপ চাপ রুচি’র দারুণ প্রয়োগই ঘটিয়েছিলেন পোস্টার লাগানেওয়ালারা। এই একটা গ্রাফিতি ঢেকে দেওয়ার প্রয়াসে তারা সফল হয়েছিলেন খুব সফলভাবে! কিন্তু ঢাকা শহরে তো সুবোধ ছড়িয়ে গিয়েছিল ততদিনে। মানুষের মনে ততদিন প্রশ্ন উঠে গেছে যে, কে এই সুবোধ? কেন পালাতে বলা হচ্ছে তাকে? ‘এখন সময় পক্ষে না’ যে বলা হচ্ছে, তো এটা কোন সময়? কেমন সময়? যে সময়ে সূর্যকে খাঁচাবন্দী করে পালিয়ে যেতে হচ্ছে সুবোধকে? এসব প্রশ্ন আর খোদ এই সুবোধের খোঁজ করতে গিয়ে কিছু বন্ধু মিলে বানানো হয়েছিল এই ভিডিওটি।
ঢাকার রাস্তায় কে বা কারা এই সুবোধকে চিত্রিত করেছেন তা জানা যায়নি আজ অব্দি। চেষ্টা হয়তো হয়েছেও কিছু, সুবোধের ঠিকুজি-কুলজি জানার। কিন্তু সেই সন্ধান পাওয়া গেছে- এমন খবর পাওয়া যায়নি এখন পর্যন্ত। #হবেকি নামধারী এই অচেনা চিত্রকর পচে-গলে যাওয়া, দমবন্ধকরা এক মৃত্যুপুরির শহরে যেন হঠাৎ করেই কিছু ফুল ছড়িয়ে দিয়েছিল। দেয়ালে দেয়ালে পলায়নরত সুবোধকে চিত্রিত করে। মানুষ মুগ্ধ হয়েছিল এর অঙ্কনশৈলি দেখে। কী এটা? সুবোধ আবার কী?- শুরুতে এমন প্রশ্ন। এরপর একটু একটু করে প্রশ্ন গাঢ় হতে শুরু করল। সুবোধ কী তবে সু-বোধ? মানুষেরই, আমার-আপনারই বোধশক্তি? নাড়া পড়ল চেতনায়। মনোচৈতন্যে নাড়া দেওয়ার এই কাজটা সুবোধ সিরিজের গ্রাফিতিগুলো খুব ভালোভাবেই করতে পেরেছে বলে প্রতিয়মান হয়। সুবোধ খুব অল্প সময়ের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সুবোধকে নিয়ে বাঁধা হয়েছে গান-কবিতা। সুবোধের বোধ কাঁটাতারের গণ্ডিও পেরিয়ে গেছে অনায়াসেই। কোনো পাসপোর্ট-ভিসার ধার ধারতে হয়নি সুবোধকে।
কলকাতার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সেখানকার শিক্ষার্থীরা সুবোধকে দেখেছেন লড়াইয়ের প্রতীক হিসেবে। তারা সুবোধকে দিয়েছেন ইতিবাচকতা। সুবোধকে বলেছেন তৈরি হতে, ঘুরে দাঁড়াতে, ছড়িয়ে যেতে। হয়েছেও তো খানিকটা সেরকমই। ২০১৮ জুলাই-আগস্টে কিশোর বিদ্রোহের তোলপাড় করা সেই দিনগুলোতে একটি ছবি অনেকেরই নজর কেড়েছিল। বাংলাদেশের কিশোররা যে অসাধারণ কল্পনাশক্তির পরিচয় দিয়েছিল তাদের প্ল্যাকার্ডগুলোতে- সেখানে ঠাঁই হয়েছিল এই সুবোধেরও। একজনের হাতে ধরা প্ল্যাকার্ডে লেখা হয়েছিল, ‘সুবোধ এখন রাস্তায়’।
হ্যাঁ! সুবোধ তো ঐ কয়েকটা দিন রাস্তাতেই ছিল। সেই সুবোধগুলোকেও শেষপর্যন্ত ঘা খেয়ে পালাতে হয়েছে। কারণ “পাপবোধ (এখনও) নিশ্চিন্তে করছে বাস মানুষের হৃদয়ে।“ সুবোধকে তাই আবারও পালাতে হয়েছে। আর কত পালাবে সুবোধ? কবে আসবে সময় পক্ষে? সময় পক্ষে আসতে পারে। সেজন্য সময়টাকে বুঝে নেওয়াটাও মনে হয় জরুরি। এই সময়ে এমন সমাজ-পরিবেশ কিভাবে গড়া যায় যেখানে সুবোধকে পালিয়ে বেড়াতে হবে না? সুবোধের ভাগ্যেই শিকে ছিঁড়বে? সব কিছু নষ্টদের দখল থেকে আবার ফিরে আসবে সুবোধের দ্বারে? মুক্তির নিশান-স্বরূপ সূর্যটা আবার খাঁচা থেকে মুক্ত করে দিতে পারবে সুবোধ? ভোরের অপেক্ষায় থাকা মোরগটা ডেকে উঠবে তীব্র স্বরে? সুবোধও তার কোলের পাশে বসে থাকা কিশোরী মেয়েটিকে বলবে, ভোর হয়ে গেছে রে পাখি! ও যে আকুল হয়ে জানতে চায়, “সুবোধ! কবে হবে ভোর?”
এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে আমাদের দিতে হবে নতুন দৃষ্টি। আর এখানেই আসে প্রিফিগারেটিভ পলিটিক্স বা প্রাক-রূপায়নের রাজনীতি প্রসঙ্গ। অচেনা দাগ বইয়ে এর ইতিহাস-ধারণা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন সেলিম রেজা নিউটন। “প্রিফিগারেটিভ পলিটিক্স বা প্রাক-রূপায়নের রাজনীতি: রাজনীতির অরাজপন্থা” (পৃষ্ঠা ১৭৭-১৮৬)। আগ্রহীরা অনলাইনে বসেই পড়তে পারেন এখান থেকে: https://goo.gl/zPRg1m বিষয়টির মূল বক্তব্য হচ্ছে, যেরকম সমাজ আমরা কামনা করি, আকাঙ্ক্ষা করি—তেমন সমাজ নির্মানের লক্ষ্যে কর্মতৎপরতাটাও হতে হবে সেই কাঙ্ক্ষিত সমাজের আদলে। ১৯ শতকের অরাজপন্থী James Guillaume বলেছিলেন, “একটা কর্তৃত্বপরায়ন সংগঠন থেকে কিভাবে দেওয়া যেতে পারে সাম্য ও মুক্তির সমাজ গড়ার ডাক? এটা অসম্ভব।” ইতিহাসের পৃষ্ঠাগুলো তো এই কথারই সাক্ষ্য দিচ্ছে বারবার… বারবার। ২০১১ সালের অকুপাই মুভমেন্টে খুব বড় করে উঠেছিল এই প্রিফিগারেটিভ পলিটিক্স সংক্রান্ত কথাবার্তা। David Graeber দের লেখালেখি দিয়ে। ভীষণরকমের কর্তৃত্বপরায়ন, পুরস্কার-তিরস্কার-বহিস্কারে মত্ত ও অভ্যস্ত; এমন সংগঠন থেকে শোনা যায় গণতন্ত্র-সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান। দেশের সব রাজনৈতিক দল; সেটা ডানই হোক আর বামই হোক। যে বাদই হোক, যে তন্ত্রই হোক—সংগঠন বানানোর সময় প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারি লাগবেই। এমনকি পাড়ায় ১০ জন মিলে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থকগোষ্ঠী কমিটি করলেও সেখানে থাকে প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারি। এই ফরম্যাটের বাইরেও যে কোনো সংগঠন হতে পারে— এই জিনিসটা যেন ভাবতেই পারি না আমরা। নতুন সমাজটা যদি আমরা সাম্যেরই চাই, স্বাধীনতারই চাই—তাহলে এখনকার সংগঠনেও সেটা প্র্যাকটিস করব না কেন আমরা? প্র্যাকটিস করতে গিয়ে অনেক ভুল হবে; সেই ভুল থেকে শেখাও হবে — নতুন সমাজের রূপটা আরও মূর্ত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা বামপন্থী ছাত্র সংগঠনে কতজন সদস্য থাকে? ৪০-৫০ জন সর্বোচ্চ? এই কয়জন মানুষ মিলে সম্মিলিতভাবে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না? যায়। ইচ্ছা থাকলে যায়। কিন্তু ইচ্ছাটাই বোধহয় হয় না কারও। কারণ ইচ্ছা হতে থাকলেই বেরিয়ে আসবে তাদের অনেক অজানা ইতিহাস। উঠতে থাকবে অনেক অপ্রিয় প্রসঙ্গ। সেগুলোর মুখোমুখিই হয়তো হতে চান না তারা। সংগঠনে কোনো কর্মী এসব কথা তুললেও তাই অনেককে পড়তে হয় বহিস্কারের মুখে। নিদেনপক্ষে তিরস্কারের মুখে। তিরস্কার শুনে যারা আবার সামলে নেন, লাইনে হাঁটেন—তাদের সামনে থাকে পুরস্কারের হাতছানি। এই করেই চলছে সংগঠনগুলো। কিন্তু সুবোধের উপযোগী একটা সমাজ যদি আমরা গড়তে চাই; তাহলে আমাদের বেরোতে হবে এই চিরাচরিত চিন্তাভাবনাগুলো থেকে। করতে হবে নতুনের সন্ধান। পুরাতনকেও আবিস্কার করতে হবে নতুন করে। সুবোধ যেমন নতুন কিছু নিয়ে হাজির হয়েছে- তেমনি পরিবর্তনকামী প্রতিটি মানুষকে সক্রিয় হতে হবে। অন্ততপক্ষে চিন্তাভাবনার ক্ষেত্রে। কেন্দ্রীয় একটা কমিটি, পদাধিকার বলে নেতা, নেতার হাতা, অনেকগুলো মুখের একজন পাত্র; (যিনি শুধু মাইকে হুমহাম করবেন আর আমাদের-মামুদের ইচ্ছেমতো ফুল-পাতা-পায়রা ওড়াবেন, মোম জ্বালাবেন) ইত্যাদি হওয়া ছাড়াও আন্দোলন-সংগ্রাম সংগঠিত হতে পারে। সফল আন্দোলন-সংগ্রাম হতে পারে। ২০০৮ সালে রাবিতে কর্তৃত্ববিরোধী শিক্ষার্থীবৃন্দ মঞ্চের কর্মী হিসেবে কাজ করার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা লাভের সৌভাগ্য হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে জানি যে, একক কোনো নেতা বা নেতার বিশেষ ক্ষমতা বা কোনো কেন্দ্রীয় কমিটি ছাড়াও কিভাবে একটা আন্দোলন গড়ে উঠতে পারে এবং সেটা দারুণভাবে সফল হতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ে মুক্ত পরিসর তৈরি করতে পারে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এই আন্দোলন সম্পর্কে আগ্রহী হলে পড়তে পারেন: আগস্ট বিদ্রোহ।। মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় আন্দোলন : জরুরি পর্ব https://goo.gl/aVM26U রাবির কর্তৃত্ববিরোধী মঞ্চের মূখ্য কিছু সংগঠক আগে থেকেই অরাজপন্থার ধারণার সঙ্গে পরিচিত ছিলেন। ফলে ২০০৮ সালের এই আন্দোলনটি ছিল বিকল্প কোনো পথে নামার সচেতন প্রয়াস। আর অচেতন প্রয়াসটা আমরা খুব সম্প্রতি দেখলাম কিশোর বিদ্রোহে। কিভাবে একটি কেন্দ্র না থেকেও, একক নেতৃত্ব তো দূরের কথা; দৃশ্যমান কোনো নেতৃত্ব না থেকেও কিভাবে রাজধানীর রাজপথ দাপিয়ে বেড়ানো যায়— সে শিক্ষাটা খুব দারুণভাবে দিয়েছে বাংলাদেশের কিশোররা। এবং এভাবে জনগণ সক্রিয় হয়ে উঠলে, জনগণ নিজের কাজের ব্যাপারে নিজে সচেতন হলে যে সব কিছু অনেক ভালোভাবে চলতে পারে—সেই শিক্ষাটাও দিয়েছে স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েগুলো। এ প্রসঙ্গে পড়তে পারেন… > সবুজের অভিযান: সকল ক্ষমতা চাই শিশুদের কল্পনার হাতে (https://goo.gl/VvQteH) > রাস্তার পাঠশালায় চলে ‘এসো নিজে করি’ ক্লাস; বড়রা অংশ নেবে কি? (https://goo.gl/WnrsHu) > লাইসেন্স আছে?: কিশোর বিদ্রোহ যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখায় (https://goo.gl/JsVtjA) এগুলো গেল খুব নিকট উদাহরণ। প্রত্যক্ষ উদাহরণ। পার্টি-পলিটিক্সের বাইরে স্বাধীন সংগঠন গড়ে ওঠার অজস্র নজির পৃথিবীতে দেখা গেছে। বহু প্রাচীনকালের সেসব ঐতিহাসিক উপাদানের উল্লেখ নাহয় তোলা থাকল। শিল্প-বিপ্লবের সময় থেকেও সমাজতান্ত্রিক রাজনীতির একেবারে শুরুর দিকেই অনেক আলাপ উঠেছিল কাঙ্ক্ষিত সমাজ ও তা রূপায়নের পদ্ধতি-কৌশল নিয়ে। সেসব ইতিহাসের গায়ে পড়া বহু বছরের ধুলো ঝাড়ার সময় বোধহয় চলে এসেছে। এ জায়গায় এসে আবারও সেলিম রেজা নিউটনের অচেনা দাগ বইয়ের “প্রিফিগারেটিভ পলিটিক্স বা প্রাক-রূপায়নের রাজনীতি: রাজনীতির অরাজপন্থা” (পৃষ্ঠা ১৭৭-১৮৬) এই অধ্যায়টির কথা উল্লেখ করছি। আগ্রহীরা অনলাইনে বসেই পড়তে পারেন এখান থেকে: https://goo.gl/zPRg1m সুবোধ যেন আর পালিয়ে না বেড়ায়, সময়টা যেন সুবোধের পক্ষে আসে — সেই লক্ষ্যে কাজ করতে হবে সবাইকেই। এটা কোনো ভ্যানগার্ড, একক ব্যক্তি-সংগঠনের করে দিয়ে যাওয়ার বিষয় না। সুবোধের বোধ উদ্বোধনের সময় এখন। #হবেকি? ———————————————————————–

লেখক : পার্থ প্রতীম দাস read more

Read More

স্বাধীনতা, বঙ্গবন্ধু ও ‘অনিচ্ছুক’ জাতিতত্ত্ব

“বঙ্গবন্ধু একটি অনিচ্ছুক জাতিকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন…”

অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং পূর্ব বাংলার জনগোষ্ঠীর নজিরবিহীন আত্মত্যাগ ও লড়াই-সংগ্রামের প্রতি চরম অবমাননাকর এই উক্তিটির জনক সম্ভবত মুনতাসীর মামুন । সন্দেহ নাই খুবই পপুলিস্ট একটা উক্তি এবং যেহেতু বঙ্গবন্ধুর নাম এই উক্তির সাথে জড়িত তাই এটাকে কাউন্টার করারও অনেক বিপদ আছে । ভুল বোঝাবুঝির সুযোগ আছে । কিন্তু তারপরেও এই ক্ষতিকর উক্তির বিরোধীতা করতেই হবে । কারণ মুনতাসীর মামুনের ইতিহাসবোধই যে চূড়ান্ত নয়, সেই আলাপ-ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করার দরকার আছে । read more

Read More

আয়েশাঃ ‘বর্তমান-সময়ের’ বারুদ ঠাসা অতীত

সদ্য বিবাহিত আয়েশা ও জয়নালের নির্বিবাদ সংসারী জীবনের ছেদ কেটে তাতে রাজনৈতিক দুনিয়ার প্রবেশ ঘটার প্রথম আলামত জাপানি বিমান ছিনতাইয়ের উল্লেখ। এই উল্লেখের মাধ্যমেই আমরা প্রথম ‘আয়েশা’ নামক টেলিফিল্মের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সম্বন্ধে ধারণা পাই। ১৯৭৭ সালের ১ অক্টোবর ‘জাপানিজ রেড আর্মি’ নামক সশস্ত্র বামপন্থী সংগঠন ফ্রান্স থেকে জাপানগামী একটি বিমান ছিনতাই করে নিয়ে আসে ঢাকায়। জাপানি রেড আর্মি ছিল সেইসময় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন পিএলওর বামপন্থী অংশের বন্ধু ও পৃষ্ঠপোষকতাপ্রাপ্ত সংগঠন। একি দিনে ঢাকায় সংগঠিত হয় বিমান বাহিনীর সৈনিকদের একটি বিদ্রোহ। এই সমস্ত সাল তারিখের উল্লেখ নাই আয়েশা সিনেমায়। বিমান বাহিনীর একজন কর্পোরাল জয়নাল। তার ভাষ্যমতে সে বিদ্রোহীদের হাত থেকে ‘চিফ’কে বাঁচিয়েছে। রাতের খাবার খেতে খেতে সামরিক বাহিনীতে জাসদের তৎপরতা, চিফের জীবন বাঁচানো ইত্যাদি নিয়ে জয়নালের বর্ণনা আর তার নিরাপত্তা নিয়ে স্ত্রী আয়েশার উদ্বেগ প্রকাশের মধ্য দিয়েই আবহমান বাঙলার সংসার ধরণের একটা কিছুর মধ্যে প্রবেশ ঘটে স্বাধীন বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সময়। কেউ চাইলে বলতে পারেন যে, আয়েশা সিনেমার মূল কাহিনির শুরু এইখানেই। অথবা সেই রাতের আধারেই কর্তৃপক্ষের ডাক পেয়ে সকালে ফিরে আসার কথা দিয়ে হাসিমুখে জয়নালের যে বিদায়, সেখান থেকেও শুরু ধরা যায়। read more

Read More

Desensitizing Injured Children

This article was originally published in Dhaka Tribune.

The early August peak of the students’ movement for road safety, or the Kishor Bidroho, has now passed. 

While many claim that the demands of the movement have been met, many more believe that the reforms that followed were merely eyewashes. The most challenging demands of the kids — including the resignation of Minister Shajahan Khan and the cancellation of the route permit of Jabaal-E-Noor bus line — were simply overlooked, and other demands were watered down to symbolic moves, like the Traffic Week and the traffic law amendments. read more

Read More

বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ঋণ: দাসত্বের নতুন হাতিয়ার

বিশ্বব্যাংক, আইএমএফের মত প্রতিষ্ঠানগুলো দাবী করে থাকে, তারা স্বল্প উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর উন্নয়নের জন্য সাহায্য করে থাকে। তারা এটাও দাবী করে যদি কোন রাষ্ট্র সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও লক্ষ্য নিয়ে তাদের কাছে আসে তাহলে তারা সাহায্য করতে প্রস্তুত।
শুনে বেশ সাদামাটা মনে হলেও, এই প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকান্ডে কখনই তা প্রকাশ পায় না। তাদের কাজ সুগভীর ভাবে পর্যবেক্ষন ও পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে তাদের কর্মকান্ডে কতিপয় গোষ্ঠী ব্যাপক লাভ অর্জন করছে এবং কিছু মানুষ, গোষ্ঠী গরীব থেকে গরীবতর হচ্ছে। যা কিনা তাদের কথার সম্পূর্ন বিপরীত।
এই প্রতিষ্ঠানপগুলো বিভিন্ন রাষ্ট্রকে ঋণ দিয়ে থাকে নানাবিধ শর্ত, লক্ষমাত্রা পূরণ সাপেক্ষে। বেশ কিছু ঘটনা পর্যালোচনা করলে দেখা যায় তাদের দেয়া শর্ত বা লক্ষমাত্রা আপাত দৃষ্টিতে লাভজনক বা উন্নয়নের হাতিয়ার হলেও তার একটি ধ্বসাত্মক প্রভাব পড়ে সেই দেশের অর্থনীতি ও রাজনীতিতে।
উদাহরণ হিসাবে আলোচনা করা যায় হাইতির ঘটনা। ১৯৮৬ সালে আইএমএফ হাইতিকে শর্ত সাপেক্ষে ২৪.৬ মিলিয়ন ডলার লোন দিতে রাজি হয়। শর্তের মধ্যে ছিল হাইতিকে তাদের আমদানী বাজার উন্মুক্ত করে দিতে হবে, চাষীদের ভর্তুকি দেয়া বন্ধ করতে হবে, নানান সরকারি খাতে ব্যয় কমিয়ে আনতে হবে এবং অলাভজনক রাষ্ট্রত্ত্ব প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দিতে হবে।
আমদানী নিষেধাজ্ঞা তুলে দেয়ায় হাইতির বাজার আমেরিকান চালে ছেয়ে যায়। আইএমএফ হাইতির চাষীদের ভর্তুকির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও, হাইতির বাজার ভরে যায় বিপুলভাবে ভর্তুকি দেয়া আমেরিকান চালে। হাইতিতে প্রতি বছর আমেরিকান চালের আমদানী শূণ্য থেকে ২০০,০০০ টনে উঠে আসে। আমেরিকা প্রতি বছর প্রায় এক বিলিয়ন ডলার ভর্তুকি দিয়ে থাকে তাদের চাষীদের। দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জরিত হাইতির অধিবাসীরা সস্তায় আমেরিকান চাল কেনায় আগ্রহী হয়ে ওঠে। ফল স্বরূপ হাইতির চাষীদের অন্ন সংস্থান একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। একে ভর্তুকি বন্ধ, তার উপর সস্তা আমেরিকান চাল ফলে প্রতিযোগীতা করার কোন সক্ষমতাই ছিল না হাইতিয়ান চাষীদের। ফলে অনেকেই কৃষিকাজ ছেড়ে দিয়ে জীবিকার সন্ধানে অন্যান্য কাজে জড়িয়ে পরে। অথচ হাইতি ছিল চাল উৎপাদনে স্বয়ং সম্পূর্ন। স্বয়ংসম্পুর্ন হাইতি চালের জন্য সম্পূর্নভাবে আমেরিকার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে।  হাইতি ইনকাম পার ক্যাপিটা ৬০০ ডলার থেকে ৩৪৯ ডলারে নেমে আসে।
আইএমএফ হাইতির এই দুরবস্থার জন্য সরাসরি দায়ী না হলেও তাদের অর্থনৈতিক অবনতির পথ আইএমএফই তৈরি করে দিয়েছে। তাদের দেয়া শর্ত মেনে নিয়েই হাইতির অর্থনীতি নিম্নমুখী। আইএমএফ এর দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে, তারা হাইতির এই অবস্থার জন্য হাইতির রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাকে দায়ী করেন।
১৯৯০ সালে বিশ্বব্যাংক হাইতি সরকারকে বৈদেশিক সাহায্যের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু এর জন্য হাইতি সরকারকে “Structural Adjustment Programs” বাস্তবায়ন করার বলে। যার মধ্যে ছিল রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোর বেসরকারিকরণ(Privatization)। দাতব্য সংস্থা যুক্তি ছিল এই পলিসির বাস্তবায়ন হলে তা বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আগ্রহী করে তুলবে। ঐ বছরই সামরিক সামরিক অভ্যুথানে ক্ষমতা হারান হাইতির নির্বাচিত সরকার। আমেরিকার সহায়তায়(সামরিক) ১৯৯৫ সালে পুনরায় ক্ষমতা ফিরে পায় সরকার। তারপর থেকে সরকারের ওপর SAP বাস্তবায়ন করার জন্য নানামুখী চাপ আসতে থাকে। হাইতির জনগণ এর বিরুদ্ধে থাকলে সরকার নানাভাবে SAP এর বাস্তবায়নের ফলে কি কি উপকার হতে পারে সে বিষয়ে প্রচারণা চালায় কিন্তু তা ব্যর্থ হয়। আরো চাপ প্রয়োগ করার জন্য AID(Agency of International Development) ৪.৫ মিলিয়ন ডলারের ব্যালান্স-অফ-পেমেন্ট আটকে দেয়। ফলে প্রায় সাথে সাথেই হাইতির মুদ্রার মান ২০ শতাংশ কমে যায়। খাদ্যশস্য ও জ্বালানী তেলের আমদানী প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। হাইতির জনগণ রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি বেরসকারিকরণের বিরিদ্ধে থাকলেও সরকার নানা চাপের মুখে পড়ে ১৯৯৬ সালে বিশ্বব্যাংকের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করে। [বিস্তারিতঃ https://fpif.org/haiti/ ] । এই বেসরকারীকরণের ফলে রাষ্ট্রয়ত্ত্ব এই প্রতিষ্ঠানগুলো চলে যায় ব্যাক্তিমালিকানায়। বিশেষত আমেরিকার। এর ফলে জনগন খুব কমই লাভবান হয়। লাভের বেশীর ভাগ হাইতির বাইরে চলে যায় এবং অবশিষ্ট অংশ হাইতির নানা ঋণ শোধে ব্যয় করা হয়।  বিশ্ব ব্যাংকের দেয়া পলিসির বাস্তবায়নের ফলে লাভবান হচ্ছে ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক, বিভিন্ন বিদেশী কোম্পানীর, একমাত্র লাভের খাতা শুন্য সাধারণ জনগণের। তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে নেয়া ঋণের বোঝা বইতে হচ্ছে তাদেরই। ঋণ শোধের জন্য জাতীয় বাজেটে স্ব্যাস্থ, শিক্ষা খাতে বরাদ্দ কমে যাচ্ছে। নেমে যাচ্ছে তাদের জীবনযাত্রার মান, বেড়ে যাচ্ছে ট্যাক্সের বোঝা। তারা বঞ্চিত হচ্ছে তাদের মৌলিক অধিকার থেকে।
এছাড়াও ফিলিপাইনের কিছু প্রকল্পে দূর্নীতি ও বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ এর সম্পৃতাও আলোচনা করা যায়।
বিশ্ব ব্যাংক ফিলিপাইনকে প্রায় দশটি ঋণ দিয়ে থাকে তাদের দেয়া “Structural Adjustment Plan” বাস্তবায়ন করার জন্য। এই প্ল্যানের অন্তর্গত ছিল শিল্প কারখানা বৃদ্ধি, রপ্তানি বৃদ্ধি, বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি। এছাড়া বিশ্বব্যাংক ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে লোন দেয় ফিলিপাইনের স্থানীয় ব্যাংকগুলোতে মুদ্রা সরবরাহ করার জন্য। কিন্তু একনায়ক মার্কোসের শাসন ব্যাবস্থার সীমাহীন দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতির কারণে তা ব্যার্থ হয়। দেওলিয়া হয়ে যায় ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক   বিশ্বব্যাংকের দেয়া “Structural Adjustment Plan” বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে ফিলিপাইনের কৃষি জমি ধংস্ব করে গড়ে তোলা হয় কারখানা। বলা হয়, কারখান তৈরি করলে তা বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আগ্রহী করে তুলবে এবং এই কারখানার ফলে বহু লোকের কর্মসংস্থা হবে। কারখানা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় ঋণ আসে বৈদেশিক ব্যাংকগুলো থেকে চড়া সুদের বিনিময়ে। ঐ কারখানাগুলোতে যে পণ্য উৎপন হয় তার সবই রপ্তানী হয় দেশের বাইরে। কৃষি জমি ধংস্বের ফলে দেখা দিচ্ছে খাদ্য সংকট আর বহু কৃষক, মানুষ যাদের জীবিকা কৃষিকে ঘিরে তারা হয়ে যাচ্ছে বেকার। এর উদাহরণ হিসাবে বলা যায় ফিলিপাইনের কালাবার্যান প্রকল্পের কথা। জাপানি অর্থায়নে তৈরি একটি কারখানা যেখানে শুধুমাত্র রপ্তানি যোগ্য পণ্য উৎপাদন করা হয়ে থাকে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে প্রায় আট মিলিয়ন লোক (যারা কৃষি কাজে জড়িত ছিল) হারায় তাদের কর্মসংস্থান। বিনিময়ে তারা সরকারের পক্ষ থেকে পায়নি কোন ক্ষতিপূরণ। এই মানুষগুলোর পূনর্বাসের জন্য ফিলিপাইনের সরকারও নেয়নি কোন উদ্যোগ। উন্নয়ন প্রকল্পের ফলে এই লোকগুলো হল বেকার এবং তাদের উপর চেপে বসল বিপুল ট্যাক্সের বোঝা। ট্যাক্স, সেই ঋণ শোধের জন্য যে ঋণ তারা কখন চায় নি।
ফিলিপাইনের এই বিপুল ঋণ শোধ করার জন্য তাদের বৈদেশিক মুদ্রার পরিমান বাড়াতে হবে আর তার জন্য বাড়াতে হবে রপ্তানি। আর এই উদ্দেশ্য পূরণের জন্য ফিলিপাইনে গড়ে উঠেছে বনভিত্তিক শিল্প। গড়ে উঠছে কাঠ প্রক্রিয়াজাত করণ কারখানা এবং ধ্বংস হচ্ছে বিপুল পরিমান বনভূমি। যার ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে ফিলিপাইনের সাধারণ জনগণের উপর। ১৯৯১ সালে টাইফুন যার প্রমাণ।
১৯৯১ সালের টাইফুন ইয়ানায় মারা যায় প্রায় ৬০০০ মানুষ, গৃহহীন হয় প্রায় ৪৩০০০ মানুষ। অথচ বনভূমি’ই আগে ওই এলাকার মানুষকে বন্যা, ভূমি ধসের মত দূর্যোগ থেকে রক্ষা করত।
বিপুল বৈদেশিক ঋণ শোধ করার জন্য সরকারকে মারাত্মক ভাবে কমিয়ে আনতে হয় শিক্ষা, চিকিৎসা সহ আরো নানান খাতের খরচ। ফলে জনগণ বঞ্চিত হয় তাদের মৌলিক অধিকার থেকে, নেমে যায় তাদের জীবনযাত্রার মান।
বিশ্বব্যাংকের উন্নয়ন পরিকল্পনার বিষাক্ত নিঃশ্বাস পড়ছে আমাদের উপরও। ১৯৯৯ সালে যানযট নিরসণের জন্য মহাখালী ও যাত্রাবাড়ি দুটি ফ্লাইওভার নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়। এই জন্য প্রয়োজনীয় সমীক্ষা চালানো হয় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে। পরে এই সংস্থার অর্থায়নেই তৈরি হয় মহাখালী ফ্লাইওভার। এটির নির্মান সম্পন্ন হওয়ার পরপরই ২০০৭ সালের বিশ্বব্যাংকের একটি রিপোর্টে উঠে আসে এর ব্যার্থতার কথা। ইকোনমিক রেট অব রিটার্ন এক্ষেত্রে মাত্র ১৭%। বিশ্বব্যাংকের দেয়া প্রেসকিপশপন মেনেই ঢাকায় গড়ে উঠছে একের পর এক ফ্লাইওভার। যার ফলাফল বিগত এক দশকে ঢাকায় যানবাহনের গড় গতিবেগ ঘন্টায় ২১ কি.মি থেকে কমে ৬ কি.মি তে নেমে এসেছে।
সম্প্রতি বিশ্বব্যাংক “Toward Great Dhaka”-ঢাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ক একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে। যেটা আমাদের দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাড়াতে পারে। পূর্ববর্তী দুইটি দেশের ঘটনা বিস্তারিত আলোচনার পর বিশ্বব্যাংক বা আইএমএফ বা অন্য কোন দাতব্য সংস্থা থেকে সাহায্য বা উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহন করার পূর্বে আমাদের সতর্ক হতে হবে। কোন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার পূর্বে আমাদের অগ্রপশ্চাৎ বিবেচনা করতে হবে। নতুবা আমাদের দেশ, অর্থনীতি, রাজনীতি আটকে যেতে পারে নতুন কোন দীর্ঘ মেয়াদী ঋণের ফাঁদে।
বিখ্যাত তথ্যচিত্র নির্মাতা জন পিলজারের  মতে, এখন যে যুদ্ধ চলে তাতে বুলেট খরচ হয় না তবুও মানুষ মরে। এ যুদ্ধ সাম্রাজ্য দখলের যুদ্ধ নয় এটা অর্থনীতির যুদ্ধ। ঋণ হল এই যুদ্ধের অস্ত্র। বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ তাদের নানা লোভনীয় প্রস্তাব আর পলিসি দিয়ে আমাদের মত তথা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোকে আটকে ফেলছে ঋণের ফাঁদে। সাহায্যের নামে তারা যা দেয় তার দশগুন তুলে নেয় সুদের মাধ্যমে। এই ঋণের মাধ্যমে আমরা পরিণত হই অন্যশ্রেণির এক দাসে। read more

Read More

গন আন্দোলন এর চেয়ে বড় হয় না

আমি যদি এখন একজন আওয়ামী লীগ নেতা হইতাম, এবং আমার যদি মিনিমাম চার কোটি টাকা থাকতো, যেইটা আমি বিভিন্ন লুট এবং দখল করে কামাইছি- আমি দেশ ছাড়তাম।
চার কোটি টাকা কেন ?
কারন বিশ্বের অনেক দেশে এখন ৫ লাখ ডলারে ইনভেস্টর ভিসা পাওয়া যায়। যেই পরিমান টাকা দিলে, ইজিলি একটা দেশে পরিবার সহ স্যাটেল করা যায়। কোন যোগ্যতা লাগেনা। read more

Read More