মুক্তিফোরামে লিখবেন কেন?

“যদি তুমি ভয় পাও, তবে তুমি শেষ / যদি তুমি রুখে দাঁড়াও, তবে তুমিই বাংলাদেশ।”

এই অসাধারণ পংক্তিগুচ্ছ যিনি লিখেছেন তাকে আমরা চিনিনা। কোন একজনের মগজ থেকে সময়ের প্রয়োজনে উৎসারিত এই বাক্য দুইটি উঠে দাঁড়িয়েছে মুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্নের দাস্তান হিসেবে। এর আগেও নানান মুক্তির স্বপ্ন নানান সময়ে উঠে এসেছে জনতার ভেতর থেকে। সুবোধের ছবি ভেসে উঠেছে শহরের রাস্তায়, জয় বাংলা ধ্বনিতে গমগম করে উঠেছে দেশ, মুক্তির মতন পবিত্র নামে ঘটে গিয়েছে যুদ্ধের মতন ভয়াল ঘটনা। সেইসব ইতিহাসের নিরিখে বলতে গেলে দেখা যায় যে বাংলাদেশের ইতিহাস লিখিত হয় সময়ের প্রয়োজনে, মুহুর্তের আবেগে, উচ্চকিত কন্ঠে। মুক্তি বলতে আমরা কি বুঝি, স্বাধীনতা বলতে আমরা কি বুঝি, এমনকি স্বৈরাচার বলতে আমরা কি বুঝি তা কোন বইয়ের পাতা পড়ে জানা যায়না এই দেশে। তা বুঝতে গেলে কান পাততে হয় সড়কে, চায়ের দোকানে, মহল্লার কিনারে কিনারে। সেইসব মনোযোগী আড়িপাতার থেকেই হয়তো আমরা বুঝতে পারি বাংলাদেশ কোথায় যাচ্ছে, কোথায় যাবে। বড়ো দালানে বসে থাকা বাবু-বিবিরা যতই মনে করুক না কেন যে ইতিহাস তাদের কব্জায়, ইতিহাস থাকে সময়ের দখলে। এই বাংলার বুকে সেই সময়কে কোন বড়োকর্তা কোনদিন দখল করতে পারেনাই, কোনদিন পারবেও না। read more

Read More

সুলতানা কামালের আক্ষেপ ও একটি পুলিশি রাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলোকচিত্রী ও মানবাধিকার কর্মি শহীদুল আলম কে ‘উস্কানিমূলক মিথ্যা’ প্রচারের অভিযোগে রাষ্ট্রীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কতৃক রাতের অন্ধকারে বল পূর্বক অপহরণ ও অত্যাচারের প্রতিবাদে গত ৮ই আগস্ট হিউম্যান রাইট ফোরাম বাংলাদেশ (এইচ আর এফ বি) ঢাকার প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে । সেখানে কবি সুফিয়া কামালের দুহিতা, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের প্রাক্তন উপদেষ্টা সুলতানা কামাল অনেক দুঃখ করে কিছু কথা বলেছেন । তার মধ্যে প্রণিধান যোগ্য হচ্ছে, “স্বৈরাচারী রাষ্ট্র চেষ্টা করে একজন মানুষ কে অত্যাচার করে, দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করে সবাই কে শিক্ষা দিতে যাতে আর কেউ মুখ না খোলে । আজকে যারা রাষ্ট্র চালাচ্ছেন তারা একটা ভয়ের সংস্কৃতি সৃষ্টি করতে চান …………। আজকে আমরা যে আচরন পাচ্ছি, এতে আমাদের দুঃখের সঙ্গে প্রশ্ন তুলতে হয় তাদের আচরনের সঙ্গে স্বৈরশাসনের কোন তফাৎ করতে পারছি না কেন” ? read more

Read More

শিক্ষার্থী আন্দোলন বনাম সামাজিক বিচ্ছিন্নতা

গত কিছুদিনের মধ্যে আমরা দুইটা আন্দোলন প্রত্যক্ষ করলাম। দুইটার ধরণ দুই রকম, অংশগ্রহণকারীদের বয়সও দুইরকম, তবে, একটা বিষয়ে মিল হচ্ছে তারা সকলেই শিক্ষার্থী। একেবারে নতুন নতুন কিছু বিষয় এই আন্দোলনদ্বয় আমাদের দেখিয়েছে। এতদিন ধরে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যেভাবে ‘ফার্মের মুরগী’ বলে তাচ্ছিল্য করা হয়েছিল সেটা একেবারে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছে এই দুইটা আন্দোলনই। কোটা আন্দোলনের সময়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের উপর যখন হামলা করা হলো, তাদের মুখ বন্ধ করে দেয়ার পায়তারা চললো, তখন এর হাল ধরল বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। স্বতঃস্ফুর্তভাবেই তারা রাস্তায় নেমে আসলো। শুধুমাত্র উচ্চবিত্তরাই বেসরকারীতে পড়ে, এই ধারণা ধীরে ধীরে পাল্টে যাচ্ছে। বেসরকারীতে এখন মধ্যবিত্ত বা নিম্ন মধ্যবিত্তের অংশগ্রহণ বাড়ছে, এটা যত বাড়তে থাকবে, দাবি-দাওয়ার জন্যে রাস্তায় নামার হারও বাড়বে। নো ভ্যাট আন্দোলন দিয়েই এর শুরু হয়েছিল বলা যায়। এইজন্যে তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের ক্ষোভও বাড়বে, সেটা নিরাপদ দাবি আন্দোলনের সময় রাষ্ট্রের নগ্ন আক্রমণ প্রমাণও দেয়। read more

Read More

Signatories: “We condemn the massive violation of the rights of Shahidul Alam”

The arbitrary arrest by Bangladeshi Police of Shahidul Alam, an internationally recognised photojournalist, has outraged the world community and must be rectified immediately. This action is in serious breach of conventions of international human rights, including the Universal Declaration of Human Rights, the International Covenant on Civil and Political Rights, and the International Covenant on Economic, Social and Cultural Rights.

Alam has been detained by the police. The one and only reason he was arrested is that he gave an interview to Al Jazeera, in which he expressed views critical of the Bangladeshi regime’s brutal repression of public demonstrations in Dhaka, and had allegedly posted equally critical statements on Facebook. read more

Read More

ফিশফাঁশের রাজ্য থেকে মুক্তি কখন, কিভাবে?

গত এপ্রিলে মা’র অসুস্থতার সংবাদে ঢাকা গিয়েছিলাম । আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুদের সঙ্গে দেখা ও কথা হল । সবারই এক সাবধান বানী “খবরদার, সরকার বিরোধী কিছু বোলো না, এমন কি বিশ্বস্ত জনদেরও না । তুমি জান না কে কোন ইচ্ছা বা মতলব নিয়ে আছে ।  তুমি বিদেশে থাক, বুঝবে না দেশে কি ঘটছে” । শুনে হতাশ ও ক্ষুব্ধ হলাম ।
একদিন এক রেস্টুরেন্টে দু’বন্ধুর সঙ্গে বসে খাবার খেতে খেতে প্রসঙ্গ ক্রমে দেশীয় রাজনীতির অসুস্থ ধারা নিয়ে হঠাৎ দুয়েকটি কথা বলতেই এক বন্ধু তার তর্জনী ঠোঁটে চাঁপা দিয়ে আমাকে হুঁশিয়ার করে দিল । অর্থাৎ আর কথা বাড়িও না ।
এসব দিয়ে কি বোঝা যায় ? বোঝা যায়, প্রকাশ্যে মতামত ব্যক্ত করার ক্ষেত্রে সংবিধান প্রদত্ত নাগরিক  অধিকার থেকে আজ আমরা তথা সমগ্র দেশবাসী  বঞ্চিত । বেশী ভেতরে যাচ্ছি না, সংবিধানের মূল নীতিতেই বলা আছে, “প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গনতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানব সত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধা বোধ নিশ্চিত হইবে” । অথচ যে কোন বিরোধী মতকে ধমক, হুমকি, ভীতি, আগ্রাসন ও নিপীড়নের মাধ্যমে দমন করার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে সরকারী আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও জন যোগাযোগের সমস্ত মাধ্যম (রেডিও, টিভি, ইন্টারনেট, ছাপাখানা) ।
বিরুদ্ধ মত ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হামলা-মামলার মাধ্যমেই শুধু হেনস্থা নয়, সমস্ত আইন-কানুন কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ক্ষেত্র বিশেষে অবৈধ বল প্রয়োগে বেছে বেছে স্বতন্ত্র ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ কে গুম করে ফেলা হচ্ছে । বিনা বিচারে ক্রস ফায়ারের নামে (২০১৮ তে কক্সবাজারের ইকরামুল হকের হত্যাকাণ্ড, অডিও রেকর্ডিঙয়ের মাধ্যমে যা প্রমানিত) মানুষের জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটানো হচ্ছে । ফলে সমাজের সর্বত্র এমন ভাবে ভীতি ছড়িয়ে পড়েছে যে মানুষ ‘চুপ’ হয়ে যাচ্ছে ।  এমুহুর্তে শাসকদের নানা অন্যায়, অনিয়ম, অরাজকতার বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ চাঁপা কান্না হয়ে নিদান পাথারের শূন্যতায় বুকের ভেতর হু হু করছে । মানুষ জানে না এ থেকে মুক্তি কখন, কি ভাবে ।
স্পষ্টত জনগণ কে বাদ দিয়ে শাসক শ্রেণী ভর করছে সুবিধাভোগী আমলা-কর্মচারী, পুলিশ ও গুপ্ত ঘাতক বাহিনীর উপর । সবচেয়ে বড় কথা এমন একটি ক্ষমতা কেন্দ্রিক পুলিশী রাষ্ট্র ব্যবস্থায় শিক্ষার আলোক প্রাপ্ত ‘বিত্তের সন্ধানে মধ্যবিত্তের’ এক বিরাট অংশ নিরুপায় হয়ে হয় একে মেনে নিয়েছে অথবা চরিত্র পরিবর্তন করেছে । উদাহরন দিচ্ছি; নিজের বন্ধু, সত্তুরের দশকে একসঙ্গে স্কুল-কলেজে পড়েছি, সাম্য প্রগতি ও মানুষের মুক্তি সহ স্বাধীন সংবাদ পত্র নিয়ে নিরন্তর কথা বলেছি, আজ দেখি, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হয়েও তাদের কণ্ঠ স্তব্ধ, নয় তাতে অন্য সুরের প্রতিধ্বনি । শাসক কুলের দয়া দাক্ষিণ্য, পুরুস্কারের লোভ ও মোহ আজ তাদের আত্মা ও বোধ কে চালান করে দিয়েছে মৌনতার নিরাপদ খোঁয়াড়ে ।
চিকিৎসা পেশার আরো দু’জন বন্ধুর কথা বলি । একসময় জানতাম তারা বিবেকের কাছে সৎ, ন্যায় অন্যায় বোঝার মত অনুভূতি তাদের আছে । এবার দেখলাম তারাও বিবেক কে বন্ধক দিয়ে দিয়েছে ‘পদ-পদবি ও শান্তিপূর্ণ সহ অবস্থানের’ কাছে ।
এদের কে আর জাগানো যাবে বলে মনে হয় না । তাই আমাদের আশা, ঘুম থেকে আড়মোরা ভেঙ্গে জেগে ওঠা কিশোর-তরুন দের নিয়ে । এদের কে লক্ষ করেই আমাদের কথা বলতে হবে । এদের ভেতরে জনমত তৈরি করতে হবে । এদেরকেই সংগঠিত করতে হবে । আগামীর আশা ও স্বপ্নের কথা বলতে হবে । যে স্বপ্নে ৭১ এ আত্মাহুতি দিয়েছিল সেই সময়ের তরুনেরা ।
তরুণরা চিরদিনই নতুন চোখ দিয়ে জীবনকে দেখে । একটি সুন্দর জীবন, ন্যায় ভিত্তিক সমাজ ও মানবিক রাষ্ট্রের স্বপ্ন তরুণদের চিরায়ত ।  পদ-পদবি, উপঢৌকন, অনুগ্রহ তরুণদের খুব কমই প্রভাবিত করে । তারা জানে অবিচার-অন্যায়ে ঠাসা এই জীবন ও সমাজের নিষ্ঠুর শৃঙ্খল ছাড়া তাদের হারাবার আর কিছু নেই । read more

Read More

শান্তি ও ন্যায়ের সপক্ষে একটি গণমার্চ প্রয়োজন

সারাদেশ জুড়ে চলছে একটি নির্বোধ সরকারের নারকীয়তা। খুব সহজ কিছু সংস্কার ও পরিবর্তনের দাবিতে যে সাধারণ ছাত্ররা রাস্তায় নেমেছিলো, তাদের দাবি ঠান্ডা মাথায় শোনার বদলে তাদেরকে শক্ত হাতে দমন করবার চেষ্টা করা হচ্ছে। সারাদেশে চলছে রক্তের লীলাখেলা। সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, এক্টিভিস্ট, ছাত্রছাত্রী, কেউই বাদ পড়েনাই এই নির্বুদ্ধিতার চক্রের থেকে। এক অদ্ভুত আধারের দিকে হেটে চলেছে বাংলাদেশ। read more

Read More

কেউ যাতে কিশোর বিদ্রোহকে ছিনতাই করতে না পারে

বাংলাদেশের আজ খুব দুর্দিন। রাস্তায় ছেলেপেলেরা মার খাচ্ছে। নানান জায়গা থেকে আমাদের কাছে খবর আসছে। খুব অনিশ্চয়তা আর শংকার মাঝে আছে তারা। আমরা দেশের কিশোর-শিশুদের অনুরোধ করবো যাতে আর কেউ রাস্তায় না নামে। আমাদের রাজনৈতিক স্বপ্নের চেয়ে কিশোরদের নিরাপত্তা বেশি জরুরি।
তবে কিশোর বিদ্রোহীরা নিজেদের বিবেকের তাড়নায় রাস্তায় নেমেছে। আমাদের বা আর কারো কথায় তারা দমবে না। যারা রাস্তায় আছেন তাদের জন্যে সতর্কবানী। একেক জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকবেন না। একা পেলেই বেশি আক্রমণের শিকার হবে আমাদের শিশুরা। যারা রাস্তায় আছে তাদের সতর্ক করছি রাজনৈতিক গিরগিটিদের কাছে থেকে। তাদের বিদ্রোহ যাতে কেউ চুরি করতে না পারে। কেবল নিজেদের বিবেকের কথাই যাতে তারা শোনে।
কিশোর বিদ্রোহীরা নিজেদের বিবেকের তাড়নায় রাস্তায় নেমেছে। আমাদের বা আর কারো কথায় তারা দমবে না। যারা রাস্তায় আছেন তাদের জন্যে সতর্কবানী। একেক জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকবেন না। একা পেলেই বেশি আক্রমণের শিকার হবে আমাদের শিশুরা। যারা রাস্তায় আছে তাদের সতর্ক করছি রাজনৈতিক গিরগিটিদের কাছে থেকে। তাদের বিদ্রোহ যাতে কেউ চুরি করতে না পারে। কেবল নিজেদের বিবেকের কথাই যাতে তারা শোনে।
কিশোরদের নিরাপত্তার জন্যে আমাদের শংকা হয়। এর মাঝেই অনেক ছোটভাই বোনদের কাছ থেকে ভয়ংকর কথা শুনছি। কাজেই তাদের প্রতি অনুরোধ থাকবে যাতে তারা সংসদ অভিমুখে বা অন্য কোন কেন্দ্রীয় স্থান অভিমুখে যাত্রা করে। আলাদা আলাদা হয়ে থাকলে বেশি আক্রমনের শিকার হবে বাচ্চাগুলা। যে যেভাবে পারেন ওদেরকে প্লিজ একত্র হতে বলেন আর সাবধানে থাকতে বলেন। বাচ্চাগুলার জন্যে আমাদের করতে হবে যতটুকু পারা যায়।
হামলার ছবি ভিডিও ইত্যাদি আমরা আনতে পারছিনা ইন্টারনেট শাটডাউনের কারণে। তবে নতুন কোন খবর পেলে আমরা জানাবো। ততক্ষণ পর্যন্ত আপনারা রাস্তায় থাকা শিশুদেরকে প্লিজ সতর্ক করুন। পারলে এই সতর্কবানীটা তাদের কাছে পৌছে দিন মেসেঞ্জারে অথবা হোয়াটস এপেhttps://drive.google.com/…/1zh2D-ehFGDA8KCN9TnvF4XZnZ…/view…
Soundcloud link: https://soundcloud.com/anupam-debashis-roy/cxliud2iv1iz read more

Read More

জিগাতলাতে আজকে রবিবার যা হল তার একটুকরো অংশ: প্রত্যক্ষদর্শীর জবান

সকালে শাহবাগে প্রায় তিন হাজার বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী জড়ো হয়েছিল অনুজদের উপর গতকাল সাইন্সল্যাব ও জিগাতলায় পুলিশি হামলার প্রতিবাদে। কিছুক্ষণ পর সেই জমায়েত যখন সাইন্সল্যাবের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার ডাক দেয় তখন কিছুক্ষণের মাঝেই স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা যোগ দিলে সাইন্সল্যাবের মুখে সেটি ৫ থেকে ৬ হাজারের অধিক শিক্ষার্থীর এক বিশাল মিছিলে পরিণত হয়। পুরো মিছিল খুবই শান্তিপূর্ণভাবে এগুচ্ছিল জিগাতলা বাসস্ট্যান্ডের দিকে। read more

Read More