Rights Violations of Quota Reformers

Peaceful protesters demanding quota reservation reform have been violently attacked by government party men with the help of the police and the administration in Bangladesh. Leaders have been abducted, intimidated, attacked and violated. Those injured have even been denied medical care. Immediate national and international rebuke of these rights violations are necessary to protect the demonstrators who are organizing daily in the streets of Bangladesh. read more

Read More

কেনো কোটার সংস্কার চাই, কেমন কোটার সংস্কার চাই

সারা পৃথিবীতে সরকারি চাকরিতে কোটা রাখা হয় বৈষম্যের প্রতিকার করার জন্য। অথচ এই দেশে কোটার ব্যবস্থাপনা বৈষম্যের হাতিয়ারে পরিণত হয়েছিল। বর্তমান সরকারি চাকরিতে কোটা ও মেধার অনুপাত ৫৬ বনাম ৪৪ শতাংশ। কোটার বরাদ্দ যথাক্রমে মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পোষ্যদের ৩০ শতাংশ, নারী ১০ শতাংশ, জেলা কোটা ১০ শতাংশ, আদিবাসী ৫ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধী ১ শতাংশ। ফলে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের সুযোগ পান মাত্র ৪৪ শতাংশ। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আকবর আলি খান বলেছেন, ‘পৃথিবীর এমন কোনো দেশ খুঁজে পাওয়া যাবে না, যেখানে কোটা মেধাকে ছাপিয়ে যেতে পারে। আমরা পারছি। অর্থাৎ উল্টো যাত্রায় আমরাই প্রথম।’ আমরা দেখলাম কোটা সংস্কার আজ জাতীয় দাবিতে পরিণত হয়েছে। এই দাবির সপক্ষে সাধারণ ছাত্রজনতা রাজপথেও নেমে এসেছে। তবে এই দাবি নিয়ে আগানোর পথে আমাদের অবশ্যই একটি পরিবর্তনের রূপরেখা নিয়ে আগাতে হবে। বর্তমান কোটাবিন্যাসের ঠিক কেমন পরিবর্তন আমরা চাই, সেটি আমাদের পরিষ্কার করে জানাতে হবে। নামকাওয়াস্তে সংস্কার যেমন আমরা মেনে নিতে পারি না, তেমনি সকল কোটা বাতিলের যে কথা প্রধানমন্ত্রী বলেছেন সেটাও গ্রহণযোগ্য নয়। পরিষ্কার এবং শক্তিশালী সংস্কার আমাদের প্রয়োজন। সবার প্রথমেই যে কোটার সবচেয়ে বড় সংস্কারের কথা বারবার বলা হয়েছে, সেটি হলো মুক্তিযোদ্ধা কোটা। এমনকি মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩০ শতাংশ কোটার শতকরা হার কমিয়ে আনার সুপারিশ করেছে খোদ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি)। কমিশন মনে করে, সরকারি সার্ভিসের গতিশীলতা আনতে, কোটাপদ্ধতি ও কোটাবিন্যাস পদ্ধতির পুনর্বিবেচনা ও পুনঃপর্যালোচনা করা প্রয়োজন। ১০০ ভাগের ৩০ ভাগ বরাদ্দ নিঃসন্দেহে অনেক বেশি, তবে সেটিই মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে একমাত্র চিন্তার বিষয় নয়। এর বাইরেও রয়েছে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সুবিধা লুটতে চাওয়া ক্ষমতাবান গোষ্ঠীকে নিয়ে দুশ্চিন্তা। ১৯৮৬ সালে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের তালিকা অনুসারে মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ছিল ৬৯ হাজার ৮৩৩, অথচ বর্তমান সরকারের প্রথম দিকের একটি তালিকায় ২ লাখ ২ হাজার ৩০০ জন মুক্তিযোদ্ধার নাম প্রকাশিত হয়। তাঁদের মধ্যে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন—এই মর্মে আপত্তি দাখিল হয় ৬২ হাজার। এইভাবে কোটার লোভে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা দিয়ে তালিকা ভরানো কেবল দুঃসহনীয় একটি দুর্নীতিই নয়, বরং আত্মত্যাগী মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য চরম অবমাননাও বটে। যেকোনো কোটার ক্ষেত্রে ক্ষমতাবানের দুর্নীতির উপায় থেকে যায়। যেহেতু পিএসসির মৌখিক পরীক্ষার বোর্ডগুলো সাধারণত একজন পিএসসি সদস্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এবং যেহেতু পিএসসি সদস্য হিসেবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সরকারদলীয় রাজনৈতিক নেতাদের আত্মীয়স্বজন নিয়োগপ্রাপ্ত হন, কাজেই তাঁরা যে মৌখিক পরীক্ষায় সম্পূর্ণ প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করবেন, এমন নিশ্চয়তা দেওয়া কঠিন। এমতাবস্থায় যদি মৌখিক পরীক্ষার ক্ষেত্রে কোটার হিসেবে ক্ষমতাবানদের দাপট টিকে থাকে, তাহলে সাধারণ ক্ষমতাহীন মেধাবী ছাত্রদের জনপ্রশাসনে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা সীমিত হয়ে আসে। আয়ের হিসাবে কোটার হিসাব হলে এই কোটা নিয়ে দুর্নীতি করার সুযোগটি কিছুটা হলেও সংকুচিত হয়ে আসে। আয়ের হিসাব ব্যতীত দ্বিতীয় যে হিসাবটি মাথায় রাখতে হবে, সেটি হলো বেসরকারি খাতে বৈষম্যের পরিমাপ। যদি কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী সামাজিক দীনতার কারণে বেসরকারি খাতে চাকরি পেতে অথবা স্বাধীনভাবে ব্যবসা শুরু করতে নির্দিষ্ট কিছু বাধার সম্মুখীন হয়, তবে তাদের জন্য কোটার সুবিধা রাখা যেতে পারে। এমন কাঠামোগতভাবে বৈষম্যের শিকার জনগোষ্ঠীর মধ্যে রয়েছেন নারী, ক্ষুদ্র জাতিসত্তার অধিবাসী, প্রতিবন্ধী এবং প্রত্যন্ত জেলার বাসিন্দারা, যারা সরকারি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুবিধার থেকে বঞ্চিত হন। তাঁদের জন্য ৪ শতাংশ করে মোট ১৬ শতাংশ কোটা বরাদ্দ রেখে দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের জন্য ৪ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হলে বর্তমান কোটাব্যবস্থার চেয়ে অনেক বেশি গণমুখী এবং কার্যকরী একটি বিন্যাসের দিকে আমরা আগাতে পারব। আয়ের হিসাব দিয়ে দরিদ্র ও নিম্নমধ্যবিত্তদের হিসাব করলে এমন বিন্যাসটিই এসব জনগোষ্ঠীর জন্য যথেষ্ট হওয়ার কথা। নিজেদের হিসাব অনুযায়ী সরকার এর মাঝে চাইলে কমবেশি করতে পারে, কিন্তু কোনোভাবেই সব মিলিয়ে মোট কোটার পরিমাণ ২০ শতাংশের বেশি রাখা সমীচীন হবে না। কোটার বাইরে থাকা উচ্চবিত্ত আর উচ্চমধ্যবিত্ত তরুণেরা সরকারি চাকরি চাইলে অবশ্যই করতে পারবে, তবে তাদের মেধার লড়াইয়ে টিকে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হবে। কোটাব্যবস্থার সংস্কার এখন সময়ের দাবি। দেশের উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে আজ বেকারত্বের হার সবচেয়ে বেশি। বাংলাদেশের ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী ৪০ শতাংশ তরুণ নিষ্ক্রিয় (নট ইন এমপ্লয়মেন্ট, এডুকেশন অর ট্রেনিং)। জাতিসংঘঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জন করতে হলে আমাদের এই হার কমিয়ে আনতে হবে। কোটাব্যবস্থার সংস্কার হতে পারে সেই লক্ষ্যে একটি পদক্ষেপ। বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা আকবর আলি খান রেগুলেটরি কমিশনের প্রধান হিসেবে ২০০৮ সালের মার্চ মাসে কোটাব্যবস্থা নিয়ে একটি গবেষণাকর্ম সম্পাদন করেছেন। এতে বলা হয়েছে, মেধার ভিত্তিতে মাত্র শতকরা ৪৪ জনকে নিয়োগ সংবিধানসম্মত নয়। যে বৈষম্যহীন সোনার বাংলা গড়ার জন্য একাত্তর সালে ৩০ লাখ শহীদ জীবন দিয়েছেন, বৈষম্যের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসা কোটাব্যবস্থার জালে পড়ে তার আজ নাভিশ্বাস উঠেছে। এই দুরবস্থার থেকে মুক্তি পেতে হলে আমাদের এমনভাবে কোটাব্যবস্থার পুনর্বিন্যাস করতে হবে, যাতে করে সরকারি বৈষম্যের হাতিয়ার না হয়ে বেসরকারি বৈষম্যের প্রতিকার হয়ে ওঠে কোটা। আয়ের হিসাব, বৈষম্যের হিসাব আর সীমিত শতকরার হিসাবই সেটি করবার জন্য সর্বোত্তম উপায়।

অনুপম দেবাশীষ রায়, অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি, হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ওয়াশিংটন ডিসি। read more

Read More

একরাম হত্যাকান্ড নিয়ে কিছু হারিয়ে যাওয়া প্রশ্ন

একতরফা গুলি! ধর ধর– খোসাগুলা দে রিলোড… গুলি (একই বন্দুক) হইসে আর লাগবে না খোসাগুলা দে। কয় রাউন্ড? দশ রাউন্ড। বাইকে আরেকটু দিতে হবে। বাইকে আরেকটু মারতে হবে। এতো দূরে না। আশেপাশে তিনটা ফালায় রাখ! হাতে তো পিস্তল… পকেটে দিয়া দে… ওইপাশে দুইটা দে… কোন সিনেমার চিত্রনাট্য নয়, বরং বাস্তব জীবনে ঘটে যাওয়া কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যাকান্ডের পর তার পরিবারের কাছ থেকে পাওয়া অডিও ক্লিপ থেকে শোনা কিছু কথা। প্রথম গুলিগুলো চলার পরবর্তী সময়ে এই অংশটি অধিকাংশ মানুষই মনোযোগ দিয়ে শোনেননি অথবা মনের ভারে শুনতে পারেননি। তবে একটু কষ্ট উপেক্ষা করে এই অংশটুকু শুনলেই বুঝতে পারা যাবে ঠিক নাটকের সেট ডিজাইনের মতন করে একরামুল হককে হত্যার পরে সেই ক্রাইম সিনটিকে বন্দুকযুদ্ধ হিসেবে দেখানোর জন্যে একের পর এক উপকরণ দিয়ে সাজানো হয়েছিলো। র‍্যাবের ভাষ্যমতে তারা ঘটনাস্থল থেকে পরবর্তীতে দশ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট, একটি পিস্তল, একটি শটগান, কিছু খরচ হওয়া গুলি ও খোসা উদ্ধার করেছেন। কে জানে এই গুলিগুলোর মোট সংখ্যা দশ রাউন্ড কিনা? কে জানে ওই দশ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেটের মধ্যে কতোগুলো একরাম সাহেবের পকেটে পাওয়া গিয়েছিলো আর কতোগুলো পাওয়া গিয়েছিলো তার আশেপাশে ছড়ানো? আমরা জানিনা, কারণ আমরা ভিন্ন একটি বিষয়ে বিতর্কে মত্ত আছি। আমাদের বিতর্কের বিষয় হলো একরামুল হকের নির্দোষিতা বা দোষিতা। এ সপ্তাহেও কক্সবাজার যুবলীগের দুইজন নেতা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সাথে দেখা করেছেন এবং বলেছেন যে একরাম সাহেবকে তাদের কোনদিন মাদক সেবায় জড়িত মনে হয়নি। মাননীয় মন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং তারপর বলেছেন যে আকরাম নির্দোষ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। যুবলীগের নেতারাও চেয়ে এসেছেন আকরামের নামে কুৎসা রটানো লোকেদের জন্যে শাস্তি। কিন্তু কেউ কি দেখছেনা যে অডিও রেকর্ডিংটিতে সবচেয়ে তীব্র যে প্রমাণটি রয়েছে সেটি হলো পুলিশ আর র‍্যাবের শঠতার? তাতে কি বোঝা যায়না যে “বন্দুকযুদ্ধ” বিষয়টি সম্পূর্ণ বানোয়াট এবং একপেশে গুলি করে মাদক ছড়িয়ে রেখে মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে? কেউ দোষী বা নির্দোষ হোক না কেন, তাকে মধ্যরাতে তার পরিবারের কাছে থেকে আলাদা করে এভাবে গুলি করে ফেলে দেয়ার অধিকার কি বাংলাদেশের সংবিধান তার আইন প্রণয়নকারী সংস্থাকে দেয়? এই রাষ্ট্রে কি তবে হত্যা শেষ হবার পরে মৃত ব্যক্তি দোষী প্রমাণিত হলে তার হত্যাকারীদের দায়মুক্তি দেবার নতুন বিধান জারি হয়েছে? নাটক সাজানোর জন্যে কি র‍্যাবের কারো বিচার হবে? সেই মেজরের কি বিচার হবে, একরামুলকে তার ভাষ্যমতে যিনি ডেকে নিয়ে গিয়েছিলেন? সেই মেজর কি প্রমাণ দিতে পারবেন যে তার সাথে দেখা করতে আসার সময় একরাম একহাতে শটগান, আরেকহাতে পিস্তল আর পকেটভর্তি ইয়াবা নিয়ে হেঁটে এসেছিলেন? আর যদি একরাম মেজরের কথা, বা টিএনও অফিসের কথা বা লীলায় জরুরি কাজে যাবার কথা সবই বানিয়ে বলে থাকেন-তাহলে র‍্যাব কি প্রমাণ দিতে পারবে যে পুলিশের সাইরেনের আওয়াজ ছাপিয়ে যারা অস্ত্র আর ইয়াবা ছড়ানোর সম্ভাব্য নির্দেশ দিচ্ছেন তারা তাদের কোন লোক নয়? আর যদি না পারেন, তাহলে কেন এই হত্যাকান্ডে জড়িত র‍্যাবের সদস্যদের ফৌজদারী আইনে বিচার হবেনা? যদি ঘটনাস্থল সাজানোর নির্দেশ কোন উপর মহল থেকে এসে থাকে তাহলে তাদেরও বা কেন বিচার হবেনা? যদি এই হত্যাটি সাজানো হত্যা হয়ে থাকে, তাহলে আর কোন কোন হত্যা সাজানো হত্যা হতে পারে সেটা নিয়ে কেনো কোন স্বাধীন তদন্ত হবেনা? এতোদিন সকলের ধারণা ছিলো যে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনাগুলোতে যুদ্ধ কিছুই হয়না বরং কেবল একপেশে গুলি করে তার দায় এড়ানোর জন্যে নাটক সাজানো হয়। এখন যখন তার একটি অত্যন্ত শক্তিশালী প্রমাণ আমাদের হাতে এসে পৌঁছেছে-তখন আমরা এই মিথ্যাচার এবং সম্ভাব্য ফৌজদারী অপরাধের জন্যে আমাদের আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে জবাবদিহীতার সম্মুখীন করছি না? নাকি আমরা জাতি হিসেবে মেনেই নিয়েছি যে আমাদের বাহিনীগুলো একেকটা কিলিং স্কোয়াড হয়ে উঠেছে? যদি একটা টিভি রিপোর্ট আর দুইটা উড়োকথায় কাউন্সিলর একরামকে অপরাধী মনে করে কারো কারো রাগ দূঃখ উবে যায়, তাহলে ওই কুখ্যাত রেকর্ডিং শুনে তারা ভুল কারণে ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। ক্ষুব্ধ হবার কারণ কেবলমাত্র এটা নয় যে র‍্যাব একজন নিরপরাধ মানুষকে ক্রসফায়ারে দিলো (কেননা আইনত প্রমাণের আগ পর্যন্ত যে কোন ব্যক্তি নির্দোষ)। ক্ষুব্ধ হবার আরো একটা বড়ো কারণ হলো বাংলাদেশের আইনশৃংখলা বাহিনী স্পষ্টতই একজন মানুষকে হত্যা করলো। নিজেদের জীবন বাচাতে তারা গুলি ছুঁড়েছে বা অভিযুক্তের সাথে বন্দুকযুদ্ধে সে পারা পড়েছে এমন কিছু নয়, বরং ঠান্ডা মাথায় একই বন্দুক দিয়ে বারবার গুলি ছোঁড়া হয়েছে কোন পালটা গুলি ছাড়াই। রেকর্ডিং-এর শেষে যেমন করে একতরফা গুলি এবং খোসা ছড়ানোর কথা শোনা যায়, তাতেই পরিষ্কার প্রমাণ পাওয়া যায় যে বন্দুকযুদ্ধের নাম দিয়ে র‍্যাব-পুলিশ আসলে মানুষ হত্যা করে বেড়াচ্ছে। তার মানে প্রমাণসহ র‍্যাব পুলিশ মিছে কথা বলছে, ক্ষমতার অপব্যবহার করছে, যে পুলিশের দিকে গুলি ছোড়েনি তাকে গুলি ছোড়ার অপবাদ দিচ্ছে। সরকার বারবার বলছেন যে একরাম যদি নিরপরাধী হয় তবে সংশ্লিষ্ট লোকেদের বিচার হবে। আমার প্রশ্ন হলো, একরাম যদি অপরাধীও হয়-তাহলেও তাকে আরো মিথ্যে অপরাধে জড়ানোর সুস্পষ্ট আইন লংঘন আর সহজ হত্যার দায়ে গুলি ছোঁড়া মানুষগুলোর বিচার হবে কিনা? নাকি বাংলাদেশের আইনে এখন একতরফাভাবে গুলি ছুঁড়ে খোসা ছড়িয়ে রাখতে বলাও জায়েজ হয়ে গেছে?

অনুপম দেবাশীষ রায়: যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও অর্থনীতির ছাত্র। read more

Read More

এক্সক্লুসিভ অডিওঃ মুন্সিগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানের ছত্রছায়ায় বালিকাকে নির্যাতন, মামলা নিচ্ছেনা পুলিশ

| মাহমুদুল হাসান |

অষ্টম শ্রেণীতে পড়া এক মেয়েকে একের পর এক কুপ্রস্তাব দেবার পরেও যখন রাজি করাতে পারছিলো না মুন্সীগঞ্জ শ্রীনগর ইউপি চেয়ারম্যান জাকিরের ভাই মিনার, তখন এক রাতে তার ঘরে এসে তার শ্লীলতাহানী করতে চায়। মেয়ে পালিয়ে কোনমতে জীবন রক্ষা করতে পারলেও পরে এসে চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ঐ অসহায় পরিবারের ঘরবাড়ি ভেঙ্গে ফেলা হয়। এখন সেই মেয়ে এবং তার ভাই কেউই ভয়ে স্কুলেও যেতে পারছে না। এই পুরো বিষয় নিয়ে থানাতে মামলা করতে গেলে পুলিশ সে মামলা নেয়নি। read more

Read More

একরামুল হক হত্যাকাণ্ডঃ নেপথ্যে কিছু কথা

কয়েক দফা গুলির শব্দ শুনে যখন স্বামীর মৃত্যু প্রায় নিশ্চিত তখনও মেয়েদের শেষ আশাটুকু বাচিয়ে রাখার চেষ্টা করছিলেন মা। অডিওর শেষদিকে শোনা যায় তিনি শান্ত হয়ে বুঝাচ্ছিলেন “তোমার আব্বুর কিছুই হয়নি”। read more

Read More

চার দশকে মোট রাষ্ট্রপতির ক্ষমার চেয়ে লীগের এক দশকে বেশি ক্ষমার রেকর্ডঃ বাড়লো আরো এক

সম্প্রতি যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী তোফায়েল আহমেদ ওরফে জোসেফ রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় মুক্তি পেয়েছেন। কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে গত রোববার তাঁর সাজা মওকুফ করা হয়। ছাড়া পেয়েই গোপনে দেশ ছেড়েছেন তিনি। জোসেফ দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার পর তাঁকে ক্ষমা করার বিষয়টি জানাজানি হয়।এর আগে সংসদে এক প্রশ্নোত্তর পর্বের উত্তরে আসাদুজ্জামান খান জানান মহাজোট সরকারের মেয়াদে ২০১০ সালে একদিনে একই মামলার ২০ জনসহ ২১ জন মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামির দণ্ড মওকুফ করা হয় রাষ্ট্রপতির আওতাধীন ক্ষমার ক্ষমতা ব্যবহার করে। এছাড়া ২০০৯ সালে একজন ও ২০১১ সালে একজনসহ মোট ২৩ জন মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামির সাজা মওকুফ করা হয়েছে। জোসেফের সাজা মওকুফের ঘটনায় এই রেকর্ডে যোগ হলো আরো একটি নাম। read more

Read More

হিরক রাজার র‍্যাপ

আমরা ভীষণ সুখেই আছি হীরক রাজার দেশে,
সর্বকালের শ্রেষ্ঠ রাজা— মানছে সবাই হেসে।
বাঁচতে হলে জানতে হবে রাজার কত শান,
রাজার পায়ে হাজার প্রজা হাজির করে জান।
আসেন যদি অন্য রাজা, রাজ্যে হবে কী যে;
ভাবতে গেলে অশ্রু আসে, শ্মশ্রু ওঠে ভিজে। read more

Read More

Attacks on Quota Movement in April

Human Rights Orgs: Condemn the violence against peaceful protesters in Bangladesh by the police and political operatives. Let’s make sure that this does not become a new Tiananmen Square.

বাংলাদেশের ও বিশ্বের মানবাধিকার সংগঠনগুলোকে বলছিঃ কোটা সংস্কারের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে যোগ দেয়া ছাত্রদের ওপর পুলিশ এবং প্রভাবশালী গোষ্ঠীর আক্রমণের দিকে খেয়াল রাখুন। read more

Read More