গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক– ন্যায়বিচারকে ঘরে নিয়ে আসুন, শহীদুল আলমকে মুক্ত করুন

শহীদুল আলমের প্রতি যে আচরণ করা হচ্ছে তা লজ্জাজনক। আমরা ওঁর মুক্তি দাবি করছি। সেই সঙ্গে যে কথাটার উপর আমি জোর দিতে চাইতা হল, ওঁর মত একজন মানুষের কণ্ঠ রোধ করলে রাষ্ট্রের ক্ষতিসাধন করা হয়। শহীদুল আলমের মত শিল্পী বা বুদ্ধিজীবীর বাক-স্বাধীনতা হরণ করলে রাষ্ট্রীয় বিবেকের মৃত্যু ঘটে। সৃজনশীল শিল্পী ও বুদ্ধিজীবীর দায়িত্ব গঠনমূলক সমালোচনা করা যাতে রাষ্ট্র খাঁটি গণতন্ত্র হয়ে উঠতে পারে। রাষ্ট্র যখন এমন আইন বানায় যে নিজের দায়িত্ব পালন করলেশাস্তি পেতে হয়, তখন সেই কাজটা করা অসম্ভব হয়ে যায়। read more

Read More

Gayatri C. Spivak: “Bring Justice Home, Free Shahidul Alam”

Shahidul Alam has been treated in a disgraceful way.  We demand his release.

But what I want to emphasize is the damage to the state if a voice such as his is silenced. If creative artists and intellectuals such as Shahidul Alam are silenced, then the conscience of the state is killed. It is the role of the creative artist and the intellectual to offer constructive criticism so that the state can be a real democracy. And this is not allowed when the state makes these laws that simply say:  we will punish you if you perform your task. read more

Read More

Improving Dhaka traffic with the power of kindness

About a month ago, students in Dhaka city led massive protest on the streets demanding safer roads and stricter traffic laws and punishments. The protests were sparked by a bus accident that killed 2 students. But road accidents in Bangladesh are very common. More than 4000 people died last year from road accidents alone. Clealy something is horrendously wrong with our roads. read more

Read More

শাহিদুল আলমের একটি প্রবন্ধ এবং ‘গুজবে’র প্রোপ্যাগান্ডা

শাহবাগ আন্দোলন নিয়ে লিখিত শাহিদুল আলমের প্রবন্ধনিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত হয় ২০১৩ সালের আটাশে ফেব্রুয়ারি। সে আর্টিকেলের মূল ছবিতে লেখা ছিল, ‘আমরা বিচার চাই’। কাকতালীয়ভাবে দেখা যাচ্ছে ঠিক পাঁচবছর পরে যে আন্দোলন সম্পর্কে কথা বলার জন্যে শাহিদুল আলমকে গ্রেফতার করা হয়েছে সে আন্দোলনের স্লোগানও ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ (আমরা বিচার চাই)! সরলীকরণ হয়ে গেলেও সত্যি যে এটা আমাদের ভঙ্গুর বিচার ব্যবস্থার অস্ত্বিত্বের জানান ও প্রমাণ দেয়। আলাপ না বাড়িয়ে পাঁচ বছর আগে সেই প্রবন্ধে শাহিদুল আসলে কি লিখেছিলেন, আসুন সেটা একবার দেখে নেই। একেবারে শব্দের সাথে শব্দ মিলিয়ে অনুবাদ নয়, ভাবানুবাদ করেছি। read more

Read More

শাহবাগে প্রতিবাদী আয়োজন “গণতন্ত্র মুক্তি পাক” আগামীকাল

প্রখ্যাত আলোকচিত্রী ও শিক্ষক শহিদুল আলম, ছাত্রনেতা মারুফ-আশাফসহ নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে এখনো মুক্তি না পাওয়া সকল শিক্ষার্থীদের মুক্তি, কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়কের আন্দোলনকারীদের উপর হামলার বিচার ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে আগামীকাল রবিবার, বিকাল ৪টায় শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে “প্রকৃত স্বাধীনতার দাবিতে নাগরিকবৃন্দের” উদ্যোগে “গণতন্ত্র মুক্তি পাক” শিরোনামে একটি প্রতিবাদী সমাবেশ, গান, নাটক, পারফরম্যান্স আর্ট, গানের মিছিল ও চিত্রাংকনের আয়োজন করা হয়েছে। এই প্রতিবাদী আয়োজনে উপস্থিত থাকবেন তেল, গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, নৃবিজ্ঞানী ও লেখক অধ্যাপক রেহনুমা আহমেদ, অধ্যাপক তানজীমউদ্দীন খান, অধ্যাপক ফাহমিদুল হক, অধ্যাপক সাইদ ফেরদৌসসহ বিভিন্ন নিপীড়নবিরোধী শিক্ষকবৃন্দ, শিল্পী অমল আকাশ, বীথি ঘোষসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠক ও সংস্কৃতি কর্মীবৃন্দ, বিভিন্ন প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলের নেতা ও কর্মীবৃন্দ, বিভিন্ন প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের নেতা ও কর্মীবৃন্দসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থীবৃন্দ, সাংবাদিক, কবি, সাহিত্যিক, আইনজীবী, আলোকচিত্রীসহ বিভিন্ন স্তরের পেশাজীবী ও প্রতিবাদী জনগণ। প্রতিবাদী এই আয়োজনটি বিকাল ৪টায় শুরু হয়ে শেষে প্রতিবাদ চলাকালীন সময়ে শিল্পীদের আঁকা প্রতিবাদী চিত্রাংকনের একটি সংক্ষিপ্ত প্রদর্শনী ও প্রতিবাদী গানের মিছিলের মধ্য দিয়ে সন্ধ্যা ৭টায় শেষ হবে। read more

Read More

আওয়ামী লীগের প্রোপাগান্ডা যেন ফরাসি রানীর উদাসীনতা

আওয়ামী লীগের প্রপাগান্ডা দলের তৈরি, বাংলাদেশে কোন ফকির মিস্কিন নাই কন্সেপ্টে একটা ভিডিও দেখলাম। যে ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একটা গ্রামের মানুষ একটা লোককে দৌড় দিয়েছে , যেই লোকটা ফকির মিস্কিনের খোজে ঐ গ্রামে গিয়েছিল। read more

Read More

কোন দিকে হাঁটবে বিএনপি?

উপস্থিত যে কোন লেখাই আমার জন্য খুব প্রতিকূল। অন্তত এতে কাউকে বুঝানোর সেই সক্ষমতা তৈরী হয় না বলেই আমার ধারনা। তবুও কিছু জিনিস লিখতে চাই একদম একজন সাধারণ নাগরিকের দৃষ্টিভঙি থেকে কোনরকম তথ্য-উপাত্ত ছাড়া। কোনরকম র‍্যাশনাল-কন্সট্রাকটিভ ন্যারেশান ছাড়া।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের উত্তান একটা পয়েন্ট অব ভিউ থেকে যদি দেখি তাহলে ধরে নেয়াই যায় যে জিয়াউর রহমান খুব ভালো করে বুঝেছেন এইভাবে অন্তত দেশ চালানোর লেজিটেমিসি বেশিদিন তিনি পাবেন না। কিংবা তার পরিণতি বঙবন্ধুর মতই হতে পারে। বিএনপি সেই সু-কৌশলের সৃষ্টি যেখানে জিয়া সবাইকে এক ছাতার নিচে আনতে চেয়েছেন। অনেকেই যারা জিয়ার সমালোচনা করেন ধর্মভিত্তিক থেকে শুরু করে সব দলের রাজনীতি করার সুযোগ করে দেয়ার, তাদের কাছে আমার প্রশ্ন, ৭৫ পরবর্তী কিংবা এর পূর্ববর্তী ঘটনাবলীর পর আপনারা কীভাবে রাজনীতি চর্চা করার সুযোগ পেয়েছেন? read more

Read More

তরুণদের মনে লোভের পোকা ঢোকালো কে ?

বিপথগামী হওায়ার অনুকুল পরিবেশ জিইয়ে রেখেছে কে?

তরুণদের মনন বৃদ্ধি ও বিকাশের নিরাপত্তার জন্য কয়টা সিসিটিভি ক্যামেরা আছে সমাজ ও রাষ্ট্রে ? নিখাদভাবে তরুণদের জন্য ভাবতে ভাবতে রাতের ঘুম হারাম করেছে এমন ব্যক্তি কে, কয়জন আছে ? বাংলাদেশ সৃষ্টির পর থেকে অদ্যবধি তরুণশক্তির পাড়া ডিমগুলো দিয়ে ওমলেট বানিয়ে কাটাঁচামচে কেঁটে গলায় নামিয়েছে কে?  তরুণদেরকে ক্ষমতার পাহাড়াদার বা লাঠিয়াল বাহিনী বানালো কে ?” জিন্স প্যান্ট,, টাইট গেন্জি,, কানে দুল,, হাতে চুরি সদৃশ রিং ও মোটরবাইককে তারুণ্য বলে বাজারে চালিয়ে দিচ্ছে কে ? উন্নত দেশ হওয়ার স্বপ্নে বিভোর দেশটিতে কোটি সংখ্যক যুবক বেকার কেন ?” তরুণদের সামনে সাম্য,, ন্যায়বিচার,, সুষম উন্নয়নের উদাহরণ বেশি,, না খুব কম ?” সরকারি বেসরকারি চাকরি বা কর্মসংস্হানপ্রত্যাশী বেকার শিক্ষিত তরুণদের বয়স কিংবা কোটার বিধিনিষেধে ডান্ডাবেড়ি পরিয়েছে কে ?”
এ প্রজন্মের একজন তরুণ হয়ে এমন অসংখ্য কে বা কারাযুক্ত প্রশ্নমালা মনে জাগে সারাক্ষণ। কিন্তুু প্রশ্নমালা উত্থাপন ও উত্তরমালা পাওয়ার মঞ্চ কোথায় ?” স্বাধীণ দেশ আমার ! স্বাধীন নাকি গণমাধ্যম ও বিভিন্ন মঞ্চ ! অথচ তরুণদের সর্বনাশের সমূহ কারণের শিকড় অনুসন্ধান ও উপড়ে ফেলার তাগিদ আছে কি কোথাও ?”  তাগিদ নেই একেবারে তাও নয়। তাগিদ আছে–” তরুণদের গ্লানি করার ,, সমালোচনা করার,, অতীতের তারুণ্যর গল্প শুনিয়ে বর্তমানকে বিদ্রুপ করার। তরুণদের মুল্যবোধের অবক্ষয়ের গল্প পাতায় পাতায় ছাপা হয়। কেন মা,, মাটি,, দেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া অনাচারের মহামারিতেও তরুণরা জাগে না তা নিয়ে আক্ষেপ হয়। তরুণরা কেন বারবার ডিম পাড়ছে না তা নিয়ে তিরষ্কার হয়। কিন্তুু তরুণদের পক্ষ থেকে উত্থাপিত কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসা কারো কিংবা কোন মহলের কর্ণকূহরে পৌঁছে না। ষোল কোটি মানুষের দেশটিতে যদি বিরাট সম্ভাবনাময় অংশটির নাম হয়, “তরুণ ” তাহলে সে অনুপাতে কি এরা যত্ন পাচ্ছে ?  নাকি পাচ্ছে এতটুকু স্নেহের পরশ ? বৈজ্ঞানিক এমন কোন যন্ত্র যদি পরিমাপ করতে পারতো তরুণরা স্নেহের নামে কতটুকু অযত্ন অবহেলা পাচ্ছে বা ক্ষেত্রবিশেষ কারো স্বার্থের দাবার গুটি হচ্ছে, তাহলে সে যন্ত্রটিও বাংলাদেশের লম্বা গলাওয়ালাদের ধিক্কার জানাতো।
এই নিবন্ধকারও বয়সে তরুণ (৩৪)। নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার প্রত্যন্ত বন্দরখড়িবাড়ি গ্রামে বাস। পিঠে নেই কোন রাজনৈতিক দলের সিল ছাপ্পর। খুব অল্প বয়সে বাবাকে হারিয়ে দরিদ্রতার নির্মম কষাঘাতে জর্জরিত হতে হতে বেড়ে ওঠা। গার্মেন্টসে হেলপারি থেকে শুরু করে পানবিড়ির দোকানদারি,, রিক্সা চালানো,, মানুষের বাসায় লজিং থাকা,, পল্লী বিদ্যুতে ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্হা ব্র্যাকে চাকরি ইত্যাদি এমন কোন কায়িক বা মানসিক শ্রমের পথ নেই যেখানে সে চিহ্ন রাখেনি বা রাখছে না। কিন্তুু লোভ কিংবা মুল্যবোধের প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসেছে এমন চিহ্নও নেই ৫৬০০০ বর্গমাইলে। শুধুমাত্র শ্রমের বিনিময়ে বেঁচে থাকার আপ্রাণ চেষ্টাটুকু সবকিছু ছাপিয়ে জয় পেয়েছে। হাতের কাছে, চোখের কাছে বিপথে যাওয়ার লকলকে অফার কিলবিল করছে। কই পারেনি তো জীবনের সত্যকার গান থেকে তাকে ফেরাতে !  আজকের বাংলাদেশে এমন তরুণ কি বিরল ? নিশ্চয় নয়।” চোখের ভিতরের চোখটা খুলুন না  ;; দেখুন বাংলাদেশের অগণিত ঘরে ঘরে এমন  তরুণ আছে ও কেউ কেউ কুঁকরে আছে। কিন্তুু না, আপনারা সে সব দেখবেন না, দেখতে চাবেন না। আপনারা দু-চার, দশটা ঘুনে ধরা ( যে ঘুনটাও কারো না কারো সৃষ্ট) তরুণের নাম প্রমাণ হিসেবে হাতে ও ঠোঁটে রেখে সমগ্র অংশকে মন্দ বলতে অভ্যস্ততা লাভ করেছেন। রাজনীতি থেকে শুরু করে সমাজের কোন অংশ, কোন পেশায় র্দুবৃত্তায়ন হয়নি ?” পারছেন কি সে সব আঙ্গুল উচিঁয়ে বলতে ?” পারছেন না !” পারছেন শুধু তরুণদের বেলায় পঁচে গেছে,, পঁচে গেছে রব তুলতে !” আজকাল
লড়াইয়ে-সংগ্রামে,, গঠনে-নির্মাণে তরুণদের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয় জরাগ্রস্হ,, বার্ধক্যওয়ালাদের কাছে। কিন্তুু ফলভোগের পুরো অধিকার বৃদ্ধদের। ক্রেডিট পকেটে তুলতে এক পা কবরে যাওয়া অশীতিপরও খাড়া।
তরুণরা দেশপ্রেমের সংজ্ঞা পাচ্ছে না। তাই দেশপ্রেম এখন যে প্রচার/বিজ্ঞাপণ চালাতে পারে তাঁর !” দেশপ্রেমিক তরুণরা নয়  ;; তরুণরা কাজের ছেলে বা শুধুমাত্র কর্মচারি।  ওদিকে দেশপ্রেমিকের পুরো দাবীদার বলে প্রচার চালাচ্ছে হোমরা–চোমরা পক্ষ। অথচ ঘোষণাবাজ দেশপ্রেমিক গোষ্ঠী নিজ দায়িত্বে একবারও জবাব দিবে না,, দিতে চাবে না, কিভাবে এত বিপুলসংখ্যক সম্ভাবনাময়,, সবুজ,, ভাবুক তরুণরা দেশপ্রেমিক খেতাব থেকে বঞ্চিত হওায়ার উপযুক্ত হলো ?”
তরুণদের মাঝে মা তুল্য দেশের প্রশ্নে বিভক্তি কোথা থেকে এলো ?” কেন বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বেড়ে ওঠা একজন সদ্য যৌবন পাওয়া তরুণকে “খামোশ” বলে থামিয়ে দেওয়া হচ্ছে পরদেশের প্রতি অনুরাগের ভিত্তিহীন অভিযোগে ?” এ সংস্কৃতি দিয়ে কি তরুণদের বিকাশের গালে কষে থাপ্পর মারা হচ্ছে না ! কালা–ধোলা, ডাঙ্গর–বেটে,, মুসলিম–হিন্দু সব তরুণের রক্ত কি এক নয় ;; সবার বুক,, পেট কি একই বৈশিষ্ট্য বহন করে না ?” তাহলে বিভেদ,,বঞ্চনা,, বৈষম্য ও তারুণ্যকে জুতা মেরে গরু দান করে,, কি করে তারুণ্যর ডিম পাড়া আমরা আশা করছি ?” বেশ কয়েকবছর আগে এই নিবন্ধকার একটি বাংলা সিনেমা দেখেছিল। সিনেমার নাম–” শান্ত কেন মাস্তান ?” সিনেমায় নায়ক ছিলেন প্রয়াত মান্না। সিনেমায় নায়ক মান্না আর দশটা  স্বাভাবিক পরিবারের স্বাভাবিক গুন ও মুল্যবোধসম্পন্নই ছিল। কিন্তুু ভিলেনের দল একটি অশুভ সিস্টেম দিয়ে তাঁকে মাস্তানই বানিয়ে ছেড়েছিল। আজ বাস্তবের বাংলাদেশে তারুণ্যর অভিজ্ঞতা থেকে আমরা তরুণরা কি বলতে পারছি–” আমরা কেন মাস্তান ?”
না।” কোন প্রশ্ন করা যাবে না কোথাও ।”
জবাব মুখস্হ রেখেছে উপর্যুক্ত কর্তৃপক্ষ ;; ব্যক্তিগত হতাশা,, বিচ্ছিন্ন ঘটনা,, উন্নয়নবিরোধী,, দেশবিরোধী প্রভৃতি।
এদেশের ভিতরে লক্ষ লক্ষ তরুণের বুকের আগ্নেয়গিরি অবলীলায় হয়ে যায় কারো কারো কাছে বিচ্ছিন্ন ঘটনা। কিভাবে তরুণরা তাহলে বোঝাবে–অবিচ্ছিন্ন ঘটনার রঙ কেমন ?” এতদসত্ত্বেও তো এক বুক বঞ্চনা, বৈষম্যে কাতর হয়ে, হাটুতে মুখ লাগিয়ে মাটি কামড়ে পড়ে আছে লক্ষ লক্ষ তরুণ একটি সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্নে।
সেখানেও হানা পড়েছে, চোখ পড়েছে। ভাল নেই।”
বুকে ভয় জারি রয়েছে কে,, কখন না জানি দেশবিরোধীর সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেয় পিঠে।
তাহলে কি দেশপ্রেমিক হতে গেলে রাজনৈতিক রোবট হওায়া ছাড়া উপায় মিলবে না তরুণদের কপালে ?”
তাহলে তাঁরা সামনে দু”পা এগোবে কেমন করে ?  হয়তো সামনে দু”পা এগোনোর জন্য কখনও কখনও এক পা পিছানো যেতে পারে। কিন্তুু আমাদেরকে ; তরুণদের কত সহস্র পা পিছিয়ে দিচ্ছেন ? read more

Read More

মুক্তিফোরামে লিখবেন কেন?

“যদি তুমি ভয় পাও, তবে তুমি শেষ / যদি তুমি রুখে দাঁড়াও, তবে তুমিই বাংলাদেশ।”

এই অসাধারণ পংক্তিগুচ্ছ যিনি লিখেছেন তাকে আমরা চিনিনা। কোন একজনের মগজ থেকে সময়ের প্রয়োজনে উৎসারিত এই বাক্য দুইটি উঠে দাঁড়িয়েছে মুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্নের দাস্তান হিসেবে। এর আগেও নানান মুক্তির স্বপ্ন নানান সময়ে উঠে এসেছে জনতার ভেতর থেকে। সুবোধের ছবি ভেসে উঠেছে শহরের রাস্তায়, জয় বাংলা ধ্বনিতে গমগম করে উঠেছে দেশ, মুক্তির মতন পবিত্র নামে ঘটে গিয়েছে যুদ্ধের মতন ভয়াল ঘটনা। সেইসব ইতিহাসের নিরিখে বলতে গেলে দেখা যায় যে বাংলাদেশের ইতিহাস লিখিত হয় সময়ের প্রয়োজনে, মুহুর্তের আবেগে, উচ্চকিত কন্ঠে। মুক্তি বলতে আমরা কি বুঝি, স্বাধীনতা বলতে আমরা কি বুঝি, এমনকি স্বৈরাচার বলতে আমরা কি বুঝি তা কোন বইয়ের পাতা পড়ে জানা যায়না এই দেশে। তা বুঝতে গেলে কান পাততে হয় সড়কে, চায়ের দোকানে, মহল্লার কিনারে কিনারে। সেইসব মনোযোগী আড়িপাতার থেকেই হয়তো আমরা বুঝতে পারি বাংলাদেশ কোথায় যাচ্ছে, কোথায় যাবে। বড়ো দালানে বসে থাকা বাবু-বিবিরা যতই মনে করুক না কেন যে ইতিহাস তাদের কব্জায়, ইতিহাস থাকে সময়ের দখলে। এই বাংলার বুকে সেই সময়কে কোন বড়োকর্তা কোনদিন দখল করতে পারেনাই, কোনদিন পারবেও না। read more

Read More

সুলতানা কামালের আক্ষেপ ও একটি পুলিশি রাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলোকচিত্রী ও মানবাধিকার কর্মি শহীদুল আলম কে ‘উস্কানিমূলক মিথ্যা’ প্রচারের অভিযোগে রাষ্ট্রীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কতৃক রাতের অন্ধকারে বল পূর্বক অপহরণ ও অত্যাচারের প্রতিবাদে গত ৮ই আগস্ট হিউম্যান রাইট ফোরাম বাংলাদেশ (এইচ আর এফ বি) ঢাকার প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে । সেখানে কবি সুফিয়া কামালের দুহিতা, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের প্রাক্তন উপদেষ্টা সুলতানা কামাল অনেক দুঃখ করে কিছু কথা বলেছেন । তার মধ্যে প্রণিধান যোগ্য হচ্ছে, “স্বৈরাচারী রাষ্ট্র চেষ্টা করে একজন মানুষ কে অত্যাচার করে, দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করে সবাই কে শিক্ষা দিতে যাতে আর কেউ মুখ না খোলে । আজকে যারা রাষ্ট্র চালাচ্ছেন তারা একটা ভয়ের সংস্কৃতি সৃষ্টি করতে চান …………। আজকে আমরা যে আচরন পাচ্ছি, এতে আমাদের দুঃখের সঙ্গে প্রশ্ন তুলতে হয় তাদের আচরনের সঙ্গে স্বৈরশাসনের কোন তফাৎ করতে পারছি না কেন” ? read more

Read More