আশা ছেড়োনা তারুণ্য

বাংলাদেশ নিয়ে স্বপ্ন দেখা তরুণেরা যেন এটা মনে না করেন যে কোন এক অলৌকিক ব্রেক পেয়ে তারা দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করে ফেলবেন।

নাগরিকের বান্ধব সরকার গড়ার পথ পরিক্রমার পথ অতি দীর্ঘ, হতে পারে এটা করতে কয়েক যুগও লেগে যেতে পারে। এই অতি দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে সুনির্দিস্ট লক্ষ্য, ধৈর্য্য ও অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে। তথাপি লুটেরা রাজনৈতিক ক্ষমতার বলয় বা বলয় গুলোকে হটাতে নিবেদন করতে হবে আমাদের তরুণদের, সততা ও দূরদৃষ্টি নিয়ে।

যেই লাউ সেই কদু বলে দায়িত্ব সারা, সস্তা প্রতক্রিয়া দেখানো, উচ্ছিষ্ট ভোগের অপেক্ষা কিংবা অবৈধ সুযোগের অপেক্ষায় চুপ থাকা কিংবা মনের ভিরতের লুকিয়ে থাকা দলীয় দুর্বিত্তায়নের প্রতি সমর্থনকে পোষার বিপরীতে রাষ্ট্র গঠনে সময়ের রাষ্ট্রচিন্তা গুলোর সাথে নিজেদের সংশ্লিষ্ট করতে হবে একনিষ্ঠ ভাবে।

তরুণদের ব্যাপকভাবে অর্থবহ রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সুস্পষ্ট লক্ষ্য নিয়ে ভাবতে হবে, অংশগ্রহণ করতে হবে নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের যে কোন আশাজাগানিয়া প্রচেষ্টায়, অর্থবহ নতুন রাজনৈতিক শক্তির বিকাশকে বেগবান করেই চলমান হীন অসৎ ও লুটেরা রাজনীতিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে হবে, অতি তাচ্ছিল্যভরে। নাগরিককে সৎ ও বিশ্বাসযোগ্য স্বপ্ন দেখিয়ে সচেতন করা এবং জাগিয়ে তোলার বিকল্প নাই।

নাগরিকের জন্য কল্যাণকর রাষ্ট্র চোর-ডাকাত চাঁদাবাজ ব্যাংক লুটেরা দুর্নীতিবাজ স্বৈরাচারী খুনীরা গড়বে না। কল্যাণধর্মী রাষ্ট্র গঠনের এই পথ দীর্ঘ জেনেই তরুণদের নতুন শুরুর দৃঢ় সংকল্প নেয়া চাই। রাষ্ট্র গঠনের মৌলিক লক্ষ্য ভুলে উপলক্ষ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়া ক্ষান্ত ভ্রান্ত হতাশ তরুণদের নতুন শুরুর তাগাদা পৌঁছে দিতে হবে দিকে দিকে।

কেন পান্থ! ক্ষান্ত হও হেরি দীর্ঘ পথ?
উদ্যম বিহনে কার পূরে মনোরথ?
কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমল তুলিতে,
দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে?

লেখক : ফাইজ় তাইয়েব আহমেদ

Facebook Comments
Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *